ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পীরগাছায় দিনে দলিল ফেরত, রাতে টাকার বিনিময়ে নিবন্ধনের অভিযোগ পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি মেয়ের পাঠানো ‘লাইভ লোকেশন’ দেখে এসে লাশ পেলেন বাবা কাশ্মীরে ৩০০ ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু নীল পোশাকে জয়া আহসানের নতুন ছবিতে মুগ্ধ নেটিজেনরা মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত সমাজ গড়তে নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান সিরাজগঞ্জে খাজা মোজাম্মেল হক ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেল ৮৫২ শিক্ষার্থী সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান বৈভবকে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, সতর্কবার্তা দিলেন কপিল দেব শাহজালালে যাত্রীর পায়ুপথ থেকে ১২৯০ গ্রাম স্বর্ণের পেস্ট উদ্ধার

বিদ্যুৎ খাতে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণের উদ্যোগে নেজামে ইসলাম পার্টির গভীর উদ্বেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জ্বালানি আমদানির জন্য প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিদেশি ঋণ নেওয়ার উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। দলটির নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, ভাসমান সুদের হারের এই ঋণ ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট ও চাপ তৈরি করতে পারে।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ূম সোবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার এই উদ্বেগ জানান। তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চাহিদা মেটাতে ঋণ নেওয়ার আগে দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা আয় এবং ভবিষ্যতে তা পরিশোধের ক্ষমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। সাময়িক চাহিদা মেটাতে গিয়ে এমন কোনো ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপানো যাবে না, যা আগামী প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর হয়।

বিবৃতিতে নেতারা বিশেষভাবে জ্বালানি আমদানির জন্য নেওয়া স্বল্পমেয়াদি ঋণের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেন। তারা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে ঋণের ব্যয়ও অনেক বেড়ে যাবে। এছাড়া মেয়াদ শেষে ঋণ পরিশোধ বা তা নবায়ন করার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা দেখা দিলে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডলারের জোগান দেওয়া দেশের জন্য বড় চাপের কারণ হবে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।

ক্রমাগত বৈদেশিক ঋণ বাড়ার নেতিবাচক দিক তুলে ধরে নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা বলেন, এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশই চলে যাবে সুদের কিস্তি পরিশোধে। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও জনকল্যাণমূলক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে বরাদ্দ কমানোর বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে। তাই অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল ঋণ নেওয়া কোনোভাবেই দায়িত্বশীল অর্থনৈতিক নীতি হতে পারে না।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনের অজুহাতে কঠিন শর্তে ঋণ নেওয়ার এই প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে কম খরচে অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। একই সঙ্গে ঋণের সব শর্ত জনগণের সামনে উন্মুক্ত করার দাবি জানান তারা। ঋণের অর্থ যাতে কোনো ধরনের অপচয়, দুর্নীতি বা অদক্ষ প্রকল্পে নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করারও জোর দাবি জানান দলটির শীর্ষ এই দুই নেতা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ খাতে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণের উদ্যোগে নেজামে ইসলাম পার্টির গভীর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১০:১৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জ্বালানি আমদানির জন্য প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিদেশি ঋণ নেওয়ার উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। দলটির নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, ভাসমান সুদের হারের এই ঋণ ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট ও চাপ তৈরি করতে পারে।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ূম সোবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার এই উদ্বেগ জানান। তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চাহিদা মেটাতে ঋণ নেওয়ার আগে দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা আয় এবং ভবিষ্যতে তা পরিশোধের ক্ষমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। সাময়িক চাহিদা মেটাতে গিয়ে এমন কোনো ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপানো যাবে না, যা আগামী প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর হয়।

বিবৃতিতে নেতারা বিশেষভাবে জ্বালানি আমদানির জন্য নেওয়া স্বল্পমেয়াদি ঋণের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেন। তারা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে ঋণের ব্যয়ও অনেক বেড়ে যাবে। এছাড়া মেয়াদ শেষে ঋণ পরিশোধ বা তা নবায়ন করার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা দেখা দিলে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ডলারের জোগান দেওয়া দেশের জন্য বড় চাপের কারণ হবে, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।

ক্রমাগত বৈদেশিক ঋণ বাড়ার নেতিবাচক দিক তুলে ধরে নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা বলেন, এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশই চলে যাবে সুদের কিস্তি পরিশোধে। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও জনকল্যাণমূলক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে বরাদ্দ কমানোর বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে। তাই অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল ঋণ নেওয়া কোনোভাবেই দায়িত্বশীল অর্থনৈতিক নীতি হতে পারে না।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনের অজুহাতে কঠিন শর্তে ঋণ নেওয়ার এই প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে কম খরচে অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। একই সঙ্গে ঋণের সব শর্ত জনগণের সামনে উন্মুক্ত করার দাবি জানান তারা। ঋণের অর্থ যাতে কোনো ধরনের অপচয়, দুর্নীতি বা অদক্ষ প্রকল্পে নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করারও জোর দাবি জানান দলটির শীর্ষ এই দুই নেতা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh