ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেড় মাসে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার কৌশল জানালেন ডা. আনিকা ব্রাজিল নির্বাচন: প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও দোয়া মাহফিলের মঞ্চে নৃত্যানুষ্ঠান, বাকেরগঞ্জে সমালোচনার ঝড় রোনালদোই পর্তুগাল ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতীক: ব্রুনো ফার্নান্দেজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা: নাহিদের হুঁশিয়ারি এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে মূল্যায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশ শান্তিগঞ্জে মাহবুবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী সংবর্ধনা রোনালদোকে ছাড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগাল হুথিদের হটাতে বড় সামরিক অভিযানের ঘোষণা ইয়েমেন সরকারের গণপরিবহনে বিশেষ ভাড়ার সুবিধা পাবেন জাতীয় ক্রীড়া কার্ডধারীরা

কাজিপুরের চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দৃশ্যপট বদলের আশা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদী বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে এই এলাকায় ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মোট ৩৫টি স্কীমের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের সামগ্রিক দৃশ্যপট বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রকল্পগুলোর প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত এই বাজেটের মাধ্যমে চরাঞ্চলে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, সামাজিক বনায়ন এবং মার্কেট নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ৩৫ জন ঠিকাদারকে এই কাজগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ওই অর্থবছরের মার্চ মাস থেকে কাজ শুরু করে। এলজিইডি বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন জানান, নদী বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার নানা ভোগান্তি থাকা সত্ত্বেও প্রকল্পগুলোর কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নাটুয়াপাড়া-চরগিরিশ ইউনিয়ন পরিষদ অফিস ভায়া রঘুনাথপুর বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন পাকাকরণ রাস্তা। এর আওতায় যমুনার শাখা নদীর ওপর ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৮ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। উপজেলা প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে এসব কাজের মান ও অগ্রগতি তদারকি করছেন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান জানিয়েছেন, চরাঞ্চলের যোগাযোগ দুর্ভোগ নিরসনে এই প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামী জুন ২০২৭ সালের মধ্যেই এই ৩৫টি স্কীমের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

কাজিপুরের চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দৃশ্যপট বদলের আশা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদী বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে এই এলাকায় ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মোট ৩৫টি স্কীমের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের সামগ্রিক দৃশ্যপট বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রকল্পগুলোর প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত এই বাজেটের মাধ্যমে চরাঞ্চলে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, সামাজিক বনায়ন এবং মার্কেট নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ৩৫ জন ঠিকাদারকে এই কাজগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ওই অর্থবছরের মার্চ মাস থেকে কাজ শুরু করে। এলজিইডি বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন জানান, নদী বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার নানা ভোগান্তি থাকা সত্ত্বেও প্রকল্পগুলোর কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নাটুয়াপাড়া-চরগিরিশ ইউনিয়ন পরিষদ অফিস ভায়া রঘুনাথপুর বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন পাকাকরণ রাস্তা। এর আওতায় যমুনার শাখা নদীর ওপর ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৮ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। উপজেলা প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে এসব কাজের মান ও অগ্রগতি তদারকি করছেন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান জানিয়েছেন, চরাঞ্চলের যোগাযোগ দুর্ভোগ নিরসনে এই প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামী জুন ২০২৭ সালের মধ্যেই এই ৩৫টি স্কীমের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh