ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৬ ও ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদে বসছে ইয়ুথ মডেল ইউএন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে অনলাইন কোর্স করার সুযোগ দেড় মাসে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার কৌশল জানালেন ডা. আনিকা ব্রাজিল নির্বাচন: প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও দোয়া মাহফিলের মঞ্চে নৃত্যানুষ্ঠান, বাকেরগঞ্জে সমালোচনার ঝড় রোনালদোই পর্তুগাল ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতীক: ব্রুনো ফার্নান্দেজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা: নাহিদের হুঁশিয়ারি এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে মূল্যায়ন কমিটি গঠনের নির্দেশ শান্তিগঞ্জে মাহবুবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী সংবর্ধনা রোনালদোকে ছাড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগাল

চরফ্যাশনে আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিকে রোগী হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের হয়রানি, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার রাতে, যখন সাত মাস বয়সী অসুস্থ শিশু আরহামকে চিকিৎসার জন্য আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান তার স্বজনরা। শিশুটিকে দেখানোর জন্য চিকিৎসক রবীন তালুকদারকে ৬০০ টাকা ভিজিট দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক শিশুটির এক্স-রে করানোর পরামর্শ দিলে স্বজনরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাউন্টারে যান। সেখানে পরীক্ষার জন্য তুলনামূলক বেশি টাকা দাবি করা হলে স্বজনরা বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এক্স-রে করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসেন।

শিশুটির স্বজনদের অভিযোগ, বাইরে থেকে রিপোর্ট নিয়ে আসার পর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের সিরিয়াল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভেতরে পরীক্ষা করানো রোগীদের চিকিৎসক দেখানোর পরই তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। এতে অসুস্থ শিশুটিকে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ভুক্তভোগী এক স্বজন বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করিয়েছি, কিন্তু বাইরে থেকে পরীক্ষা করানোর কারণে সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়াটা হয়রানির শামিল।

এছাড়া নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রোগীর স্বজন অভিযোগ করেছেন যে, আশপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন পরীক্ষার ফি অনেক বেশি। কোনো কোনো পরীক্ষা বাইরে ৬০০ টাকায় করা গেলেও সেখানে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। তারা আরও জানান, ওই ডায়াগনস্টিকে নিয়মিত চিকিৎসক বসার কারণে রোগীদের সেখানেই পরীক্ষা করানোর জন্য এক ধরনের চাপ দেওয়া হয়, যা আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বাড়তি কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার বিল্লাহ বলেন, তাদের এখানে শিশু বিশেষজ্ঞ বসেন এবং কিছু পরীক্ষা তুলনামূলক কম হয়, তাই রোগীরা যাতে এখান থেকে পরীক্ষা করায় সেজন্য তারা উৎসাহিত করেন। তবে বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত বক্তব্য দেননি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত চিকিৎসক রবীন তালুকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। স্থানীয়রা মনে করছেন, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চরফ্যাশনে আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিকে রোগী হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের হয়রানি, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার রাতে, যখন সাত মাস বয়সী অসুস্থ শিশু আরহামকে চিকিৎসার জন্য আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান তার স্বজনরা। শিশুটিকে দেখানোর জন্য চিকিৎসক রবীন তালুকদারকে ৬০০ টাকা ভিজিট দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক শিশুটির এক্স-রে করানোর পরামর্শ দিলে স্বজনরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাউন্টারে যান। সেখানে পরীক্ষার জন্য তুলনামূলক বেশি টাকা দাবি করা হলে স্বজনরা বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এক্স-রে করিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসেন।

শিশুটির স্বজনদের অভিযোগ, বাইরে থেকে রিপোর্ট নিয়ে আসার পর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের সিরিয়াল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভেতরে পরীক্ষা করানো রোগীদের চিকিৎসক দেখানোর পরই তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। এতে অসুস্থ শিশুটিকে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ভুক্তভোগী এক স্বজন বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করিয়েছি, কিন্তু বাইরে থেকে পরীক্ষা করানোর কারণে সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়াটা হয়রানির শামিল।

এছাড়া নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রোগীর স্বজন অভিযোগ করেছেন যে, আশপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন পরীক্ষার ফি অনেক বেশি। কোনো কোনো পরীক্ষা বাইরে ৬০০ টাকায় করা গেলেও সেখানে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। তারা আরও জানান, ওই ডায়াগনস্টিকে নিয়মিত চিকিৎসক বসার কারণে রোগীদের সেখানেই পরীক্ষা করানোর জন্য এক ধরনের চাপ দেওয়া হয়, যা আর্থিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বাড়তি কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে আল-ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার বিল্লাহ বলেন, তাদের এখানে শিশু বিশেষজ্ঞ বসেন এবং কিছু পরীক্ষা তুলনামূলক কম হয়, তাই রোগীরা যাতে এখান থেকে পরীক্ষা করায় সেজন্য তারা উৎসাহিত করেন। তবে বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আসা রোগীদের সিরিয়ালে পিছিয়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত বক্তব্য দেননি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত চিকিৎসক রবীন তালুকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। স্থানীয়রা মনে করছেন, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh