ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দশমিনায় সংরক্ষিত বনে গাছ কাটার সময় হাতেনাতে আটক ৪ মিসওয়াক করে নামাজ পড়ার ফজিলত ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি অস্ট্রেলিয়া টেস্টে লিটনের অভিজ্ঞতায় আস্থা সালাউদ্দিনের সোমবার থেকে শুরু হবে ওয়াশিংটন-তেহরান সংলাপ, জানালেন ট্রাম্প কানাইঘাটে আজিজ হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি বিলাল গ্রেপ্তার বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী গ্লাসগো ২০২৬: কমনওয়েলথ গেমসে সাশ্রয়ী ও টেকসই আয়োজনের নতুন মডেল দেশে নারী নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গে ৯ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু মাদ্রাসা বন্ধের পক্ষে তসলিমা নাসরিন, শেখ হাসিনাকে ফেরার আহ্বান

বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

দেশের পর্যটন খাতকে টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। রোববার (২ আগস্ট) গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিওএবি) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, পর্যটন শিল্পকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্ব দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা পর্যটন উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

আফরোজা খানম আরও বলেন, কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ক্ষেত্রে নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল ও মোটেলগুলোতে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

পর্যটন খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (টিএসএ) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কাজে টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইংলেট, শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপালা ওয়েরাক্কোডি এবং ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন হাজী ওসমানসহ বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধি, টিওএবি নেতৃবৃন্দ এবং পর্যটন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বমানের পর্যটন খাত গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
print news

দেশের পর্যটন খাতকে টেকসই, আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। রোববার (২ আগস্ট) গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিওএবি) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, পর্যটন শিল্পকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্ব দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা পর্যটন উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

আফরোজা খানম আরও বলেন, কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ক্ষেত্রে নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল ও মোটেলগুলোতে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

পর্যটন খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (টিএসএ) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কাজে টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইংলেট, শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপালা ওয়েরাক্কোডি এবং ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন হাজী ওসমানসহ বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধি, টিওএবি নেতৃবৃন্দ এবং পর্যটন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor