ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লংমার্চে বক্তব্য দিয়ে কেউ কেউ বাঘ সাজতে চান: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক হারাম উপার্জন মূল্যহীন: ইসলামের দৃষ্টিতে উপার্জনের বিধান ও জবাবদিহিতা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রবল ঝড় ও বন্যা, বিদ্যুৎহীন হাজার হাজার গ্রাহক সিলেটে বাণিজ্য মেলা নিয়ে ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক মহলে অনিশ্চয়তা নানা সংকটে বান্দরবানের পর্যটন শিল্প, ব্যাহত হচ্ছে বিনোদন ব্যবস্থা নতুন বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদ্যুৎমন্ত্রী পর্যটন খাতের বড় সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের নতুন মাস্টারপ্ল্যান হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের চলমান গ্যাস-সংকট দূর করতে মালয়েশিয়ার পর এবার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের কাছ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে সাক্ষাৎ করলে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি খাতের সহযোগিতা বৃদ্ধিকে বাংলাদেশ বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাতে পাইপলাইনের সাহায্যে মিয়ানমার থেকে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে বাংলাদেশ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে বাংলাদেশের এই প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। এ সময় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের পুরোনো প্রস্তাবটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, পাইপলাইনের পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে। তার এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রীও।

দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনাকে আরও গতিশীল করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানান, আলোচনার সুবিধার্থে মিয়ানমারের জ্বালানি মন্ত্রীকে বাংলাদেশে আসার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে। এছাড়া প্রয়োজনে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সে সময় একটি চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপিত হলে এই করিডর বাস্তবায়নে তা সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ও জ্বালানি সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, এ বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের যৌথ কারিগরি কমিটির একটি বৈঠক আয়োজন করা যেতে পারে।

এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎকারের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০২:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশের চলমান গ্যাস-সংকট দূর করতে মালয়েশিয়ার পর এবার প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের কাছ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে সাক্ষাৎ করলে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি খাতের সহযোগিতা বৃদ্ধিকে বাংলাদেশ বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাতে পাইপলাইনের সাহায্যে মিয়ানমার থেকে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে বাংলাদেশ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে বাংলাদেশের এই প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। এ সময় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের পুরোনো প্রস্তাবটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, পাইপলাইনের পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে। তার এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রীও।

দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনাকে আরও গতিশীল করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানান, আলোচনার সুবিধার্থে মিয়ানমারের জ্বালানি মন্ত্রীকে বাংলাদেশে আসার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে। এছাড়া প্রয়োজনে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সে সময় একটি চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপিত হলে এই করিডর বাস্তবায়নে তা সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। বৈঠকে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ও জ্বালানি সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, এ বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের যৌথ কারিগরি কমিটির একটি বৈঠক আয়োজন করা যেতে পারে।

এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎকারের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor