ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনায় দেশের মোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা যাচাই করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন পর্যটন সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর বাংলাদেশে পর্যটন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের পাহাড়ি ঝরনা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদসহ হাওর, পাহাড় ও নদ-নদীর বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য বাংলাদেশকে পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্যে পরিণত করেছে।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে একটি শক্তিশালী নিয়ামক। বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটন শিল্পের কাঠামো ও সেবাদানের ধরন বদলে দিচ্ছে। অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যসেবা পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য ও নিরাপদ করে তুলছে। তাই এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

সরকার জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ এবং ইকো ও কমিউনিটি ট্যুরিজম বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরের ওপর জোর দেন এবং বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই এবং পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনায় দেশের মোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা যাচাই করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন পর্যটন সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর বাংলাদেশে পর্যটন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের পাহাড়ি ঝরনা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদসহ হাওর, পাহাড় ও নদ-নদীর বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য বাংলাদেশকে পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্যে পরিণত করেছে।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে একটি শক্তিশালী নিয়ামক। বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যটন শিল্পের কাঠামো ও সেবাদানের ধরন বদলে দিচ্ছে। অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যসেবা পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য ও নিরাপদ করে তুলছে। তাই এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

সরকার জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ, আধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ এবং ইকো ও কমিউনিটি ট্যুরিজম বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরের ওপর জোর দেন এবং বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh