নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন

- আপডেট সময় : ০৬:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাপ) ২০২৬-২০৩০’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশ সরকার। ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন’ (জিসিএম)-এর লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে এই কর্মপরিকল্পনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগী হিসেবে রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের (বিএমসিটি) সহ-সভাপতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং আইওএমের সমন্বয়ে ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে এই জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং আইওএমের মাধ্যমে বাস্তবায়িত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় এই পরিকল্পনা প্রণয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি চলতি বছরের ২১ মে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, আইওএম-এর উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের সহ-সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোক্তার আহমেদ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন পর্যালোচনা ফোরাম (আইএমআরএফ) ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আইএমআরএফ ২০২৬-এর ফলাফলও উপস্থাপন করা হয়, যেখানে বৈশ্বিক অভিবাসন কার্যক্রমে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও অবদানের চিত্র ফুটে উঠেছে।
বক্তারা জাতীয় কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক অংশীদার, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত এবং অভিবাসীদের মধ্যে টেকসই সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে অভিবাসনের ইতিবাচক অবদান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশি অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুষ্ঠানে জিসিএম বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নবায়নকৃত অঙ্গীকার তুলে ধরার পাশাপাশি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়া এবং জিসিএম বাস্তবায়নে দেশের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র ও বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।



























