ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৮৯ জনের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নারী চিকিৎসকের মৃত্যু যাত্রীবাহী বগি ফেলে এক কিলোমিটার দূরে ছুটল ট্রেনের ইঞ্জিন ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বদ্ধ পরিকর ইসি হরমুজে মার্কিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অস্বীকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: উপ-উপাচার্য লাতিন আমেরিকার বাজারে রপ্তানি বাড়াতে নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের জুলাই-আগস্টে ৮৬২৬ কোটি টাকার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করল বাংলাদেশ বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই: অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

মিসওয়াক করে নামাজ পড়ার ফজিলত ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি মহানবী (সা.)-এর ছিল গভীর অনুরাগ। তিনি সব সময় মুখের পরিচ্ছন্নতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতেন এবং দুর্গন্ধের প্রতি ঘৃণা পোষণ করতেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর তিনি নিয়মিত মিসওয়াক করতেন, যাতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং ঘুমের জড়তা কাটিয়ে কাজে উদ্যম ফিরে আসে।

মিসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জিবরাইল (আ.) যখনই তাঁর কাছে আসতেন, তখনই তিনি মিসওয়াকের নির্দেশ দিতেন। এই নির্দেশনার গুরুত্ব এতই ছিল যে, রাসুল (সা.) আশঙ্কা করতেন, বারবার মিসওয়াক করার ফলে তাঁর মুখের সম্মুখভাগের দাঁত ক্ষয় হয়ে যাবে (মুসনাদ আহমদ: ২২২৬৯)। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সা.) রাতে বা দিনে যখনই ঘুম থেকে উঠতেন, অজু করার আগেই মিসওয়াক করে নিতেন (আবু দাউদ, মিশকাত: ৩৫২)।

মিসওয়াকের আধ্যাত্মিক ও জাগতিক ফজিলত অপরিসীম। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, মিসওয়াক করার পর আদায়কৃত দুই রাকাত নামাজ সাধারণ অবস্থায় পড়া দুই রাকাত নামাজের তুলনায় সত্তর গুণ বেশি উত্তম (শুয়াবুল ইমান লিলবায়হাকি: ২৫২০)। এছাড়া মিসওয়াক মানুষকে সচেতন ও কর্মোদ্যম করে তোলে বলে হাদিসে এসেছে (বোখারি)।

রাসুল (সা.)-কে মিসওয়াক করতে দেখার বর্ণনা পাওয়া যায় আবু মুসা (রা.) থেকে। তিনি বলেন, নবী (সা.) যখন মিসওয়াক করছিলেন, তখন মিসওয়াকের এক পাশ তাঁর জিহ্বার ওপর ছিল এবং তিনি ‘আ’ ‘আ’ শব্দ করছিলেন (নাসায়ি: ১/৩)। আলেমরা এই হাদিসের আলোকে জানান, মিসওয়াক নিজ হাতের আঙুলের মতো মোটা এবং এক বিঘত লম্বা হওয়া মুস্তাহাব, যা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদান করে। তবে এটি আবশ্যক নয়।

মিসওয়াক করার সুন্নতসম্মত পদ্ধতি হলো ডান হাতে মিসওয়াক ধরা এবং ডান দিক থেকে পরিষ্কার করা শুরু করা। দাঁতের ক্ষেত্রে প্রস্থে এবং জিহ্বার ক্ষেত্রে লম্বালম্বিভাবে মিসওয়াক করা সুন্নাহসম্মত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মিসওয়াক করে নামাজ পড়ার ফজিলত ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি

আপডেট সময় : ০৭:৫১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি মহানবী (সা.)-এর ছিল গভীর অনুরাগ। তিনি সব সময় মুখের পরিচ্ছন্নতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতেন এবং দুর্গন্ধের প্রতি ঘৃণা পোষণ করতেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর তিনি নিয়মিত মিসওয়াক করতেন, যাতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং ঘুমের জড়তা কাটিয়ে কাজে উদ্যম ফিরে আসে।

মিসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জিবরাইল (আ.) যখনই তাঁর কাছে আসতেন, তখনই তিনি মিসওয়াকের নির্দেশ দিতেন। এই নির্দেশনার গুরুত্ব এতই ছিল যে, রাসুল (সা.) আশঙ্কা করতেন, বারবার মিসওয়াক করার ফলে তাঁর মুখের সম্মুখভাগের দাঁত ক্ষয় হয়ে যাবে (মুসনাদ আহমদ: ২২২৬৯)। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সা.) রাতে বা দিনে যখনই ঘুম থেকে উঠতেন, অজু করার আগেই মিসওয়াক করে নিতেন (আবু দাউদ, মিশকাত: ৩৫২)।

মিসওয়াকের আধ্যাত্মিক ও জাগতিক ফজিলত অপরিসীম। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, মিসওয়াক করার পর আদায়কৃত দুই রাকাত নামাজ সাধারণ অবস্থায় পড়া দুই রাকাত নামাজের তুলনায় সত্তর গুণ বেশি উত্তম (শুয়াবুল ইমান লিলবায়হাকি: ২৫২০)। এছাড়া মিসওয়াক মানুষকে সচেতন ও কর্মোদ্যম করে তোলে বলে হাদিসে এসেছে (বোখারি)।

রাসুল (সা.)-কে মিসওয়াক করতে দেখার বর্ণনা পাওয়া যায় আবু মুসা (রা.) থেকে। তিনি বলেন, নবী (সা.) যখন মিসওয়াক করছিলেন, তখন মিসওয়াকের এক পাশ তাঁর জিহ্বার ওপর ছিল এবং তিনি ‘আ’ ‘আ’ শব্দ করছিলেন (নাসায়ি: ১/৩)। আলেমরা এই হাদিসের আলোকে জানান, মিসওয়াক নিজ হাতের আঙুলের মতো মোটা এবং এক বিঘত লম্বা হওয়া মুস্তাহাব, যা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদান করে। তবে এটি আবশ্যক নয়।

মিসওয়াক করার সুন্নতসম্মত পদ্ধতি হলো ডান হাতে মিসওয়াক ধরা এবং ডান দিক থেকে পরিষ্কার করা শুরু করা। দাঁতের ক্ষেত্রে প্রস্থে এবং জিহ্বার ক্ষেত্রে লম্বালম্বিভাবে মিসওয়াক করা সুন্নাহসম্মত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh