ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্লো ওভার-রেটের দায়ে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই দলকেই জরিমানা শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তি কাটেনি, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপপ্রচার দেশে এখনো একটি দল ইসলামী শাসন চায় না: এটিএম আজহারুল ইসলাম ব্যালন ডি’অর নিয়ে থমাস মুলারের পছন্দে চমক, বাদ পড়লেন কেইন ও ইয়ামাল সালমান শাহ হত্যা মামলা: ফের নামঞ্জুর খলনায়ক ডনের জামিন ইসরায়েলের সঙ্গে আরব নেতাদের বিপজ্জনক গোপন খেলা রূপগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন লেকের পাড়ে মিলল নারীর মরদেহ বাংলাদেশ-আমিরাত প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র, ১২৬ রানের লিড টাইগারদের নবাবগঞ্জে ৯ অক্টোবর ঐতিহ্যবাহী শরৎকালীন নাড়ু উৎসব শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবা বাড়াতে কুবি প্রশাসনের মতবিনিময়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন। এছাড়াও সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও প্রশাসন, জেলা পরিষদ, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ওয়াসা এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। একই সঙ্গে পরিবহনচালক, হোটেল মালিক ও আবাসিক মেস মালিকদের প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অংশীজনদের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও সমস্যা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ময়নামতি জাদুঘর সংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, নজরুল হলের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, আবাসিক মেস ও বাসাগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করা, শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবায় অগ্রাধিকার দেওয়া, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং বেলতলী আন্ডারপাসের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা।

সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান। তিনি জানান, ছিনতাই ও চুরি প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং প্রতিদিন সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল দেওয়া হচ্ছে। তবে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তিনি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। কিশোর গ্যাং, ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত সম্মানজনক আচরণ করতে পুলিশ সদস্যদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয় হওয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য ও চাহিদা উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যে সমাজে অবস্থিত, এটি সেই সমাজেরই একটি অংশ। বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা। ক্যাম্পাসের পাশে লালমাই পাহাড় এলাকায় কোনো আইনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই, এমনকি কোনো পুলিশ ফাঁড়িও নেই। ফলে রাতে টিউশনি বা লাইব্রেরি থেকে ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা চরম শঙ্কিত থাকি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এবং এর সম্মানের সঙ্গে পুরো কুমিল্লার মর্যাদা জড়িত। তাই শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাস পর্যন্ত পুরো সড়কে দ্রুত পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়ক প্রশস্ত ও সংস্কার করা প্রয়োজন। নিখোঁজ শিক্ষার্থী অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে উপাচার্য বলেন, আমাদের সন্তান সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজতে আমরা আশপাশের সব বন-জঙ্গলে অভিযান চালিয়েছি। র‍্যাব থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেকেই আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা অপ্রতিমকে জীবিত খুঁজে পাইনি, পেয়েছি তার মরদেহ।

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় মেস মালিকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে আপনাদের মেস বা বাসা সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করে যাবেন। নিবন্ধনবিহীন কোনো মেসে শিক্ষার্থীরা যাতে না ওঠে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবা বাড়াতে কুবি প্রশাসনের মতবিনিময়

আপডেট সময় : ১১:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন। এছাড়াও সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও প্রশাসন, জেলা পরিষদ, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ওয়াসা এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। একই সঙ্গে পরিবহনচালক, হোটেল মালিক ও আবাসিক মেস মালিকদের প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও অংশীজনদের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও সমস্যা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ময়নামতি জাদুঘর সংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, নজরুল হলের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, আবাসিক মেস ও বাসাগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করা, শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবায় অগ্রাধিকার দেওয়া, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং বেলতলী আন্ডারপাসের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা।

সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান। তিনি জানান, ছিনতাই ও চুরি প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং প্রতিদিন সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল দেওয়া হচ্ছে। তবে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তিনি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। কিশোর গ্যাং, ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত সম্মানজনক আচরণ করতে পুলিশ সদস্যদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয় হওয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য ও চাহিদা উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যে সমাজে অবস্থিত, এটি সেই সমাজেরই একটি অংশ। বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা। ক্যাম্পাসের পাশে লালমাই পাহাড় এলাকায় কোনো আইনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই, এমনকি কোনো পুলিশ ফাঁড়িও নেই। ফলে রাতে টিউশনি বা লাইব্রেরি থেকে ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা চরম শঙ্কিত থাকি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এবং এর সম্মানের সঙ্গে পুরো কুমিল্লার মর্যাদা জড়িত। তাই শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাস পর্যন্ত পুরো সড়কে দ্রুত পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়ক প্রশস্ত ও সংস্কার করা প্রয়োজন। নিখোঁজ শিক্ষার্থী অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে উপাচার্য বলেন, আমাদের সন্তান সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ ছিল। তাকে খুঁজতে আমরা আশপাশের সব বন-জঙ্গলে অভিযান চালিয়েছি। র‍্যাব থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেকেই আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা অপ্রতিমকে জীবিত খুঁজে পাইনি, পেয়েছি তার মরদেহ।

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় মেস মালিকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরে আপনাদের মেস বা বাসা সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে দ্রুত নিবন্ধন সম্পন্ন করে যাবেন। নিবন্ধনবিহীন কোনো মেসে শিক্ষার্থীরা যাতে না ওঠে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh