ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নবাবগঞ্জে ৯ অক্টোবর ঐতিহ্যবাহী শরৎকালীন নাড়ু উৎসব শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার ভিডিও কলে স্বামীর গালাগালের পর গৃহবধূর বিষপান, ঢামেকে মৃত্যু বরগুনায় মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন ১০ হাজার অভিবাসী ভিপি নুরের নাম ভাঙিয়ে টাকা চাওয়ার অডিও ফাঁসের পর যুব অধিকার সভাপতি বহিষ্কার কালকিনিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ও বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবা বাড়াতে কুবি প্রশাসনের মতবিনিময় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক খুলনায় ছেলেকে হত্যার দেড় মাসের মাথায় বাবাকে গুলি করে হত্যা

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রোপণ মৌসুমে কৃষকদের জন্য সার সহজলভ্য করার মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইআরডির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ও ভুটানের পরিচালক জ্যঁ পেম। ‘জরুরি খাদ্যনিরাপত্তা সহায়তা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থ বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এতে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করবে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো রোপণ মৌসুমে প্রয়োজনীয় সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সার সহজলভ্য করার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ধরে রাখা এবং দেশের সার্বিক খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রাখাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। বিশ্বব্যাংকের এই ঋণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ বছর, যার মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড বা মূল অর্থ পরিশোধে ছাড়ের সুবিধা থাকবে।

নতুন এই ঋণ কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক এর আগেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মসূচিতে অর্থায়ন করে আসছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ১১:৩২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

রোপণ মৌসুমে কৃষকদের জন্য সার সহজলভ্য করার মাধ্যমে দেশের কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইআরডির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ও ভুটানের পরিচালক জ্যঁ পেম। ‘জরুরি খাদ্যনিরাপত্তা সহায়তা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থ বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এতে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করবে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো রোপণ মৌসুমে প্রয়োজনীয় সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সার সহজলভ্য করার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ধরে রাখা এবং দেশের সার্বিক খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রাখাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। বিশ্বব্যাংকের এই ঋণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ বছর, যার মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড বা মূল অর্থ পরিশোধে ছাড়ের সুবিধা থাকবে।

নতুন এই ঋণ কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক এর আগেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মসূচিতে অর্থায়ন করে আসছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin