ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে কিশোরীর মৃত্যু: আত্মগোপনে ইসকনের অভিযুক্তরা, এখনো মেলেনি হদিস ৪৯তম বিশেষ বিসিএস: বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিল সরকার হোমার থেকে এআই: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গল্পকারের ভবিষ্যৎ বিচারহীন পুনর্মিলন কেবল সংঘাতের সাময়িক বিরতি: বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন রংপুরে ২১ কেজি ওজনের কালী মূর্তিসহ রজব আলী গ্রেপ্তার স্লো ওভার-রেটের দায়ে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই দলকেই জরিমানা শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তি কাটেনি, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপপ্রচার দেশে এখনো একটি দল ইসলামী শাসন চায় না: এটিএম আজহারুল ইসলাম ব্যালন ডি’অর নিয়ে থমাস মুলারের পছন্দে চমক, বাদ পড়লেন কেইন ও ইয়ামাল সালমান শাহ হত্যা মামলা: ফের নামঞ্জুর খলনায়ক ডনের জামিন

চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন ১০ হাজার অভিবাসী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১০ হাজার অভিবাসীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সোমবার (৫ অক্টোবর) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সর্বশেষ রোববার ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমারের নাগরিককে বহনকারী একটি জাহাজ ইয়াঙ্গুনের কাছে পৌঁছায়। জাহাজটি ইয়াঙ্গুনের দক্ষিণে থানলিন বন্দরে ভেড়ার পর এর যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনকে পরিচয় ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি মঠের অস্থায়ী কেন্দ্রে নেওয়া হয়। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, এদের দ্রুত নিজ নিজ এলাকায় এবং পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের দাবি অনুযায়ী, এ বছর জাহাজ ও বিমানে করে মোট ৯ হাজার ৫১৭ জন দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিমানে ৮ হাজার ৪১ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মালয়েশিয়া এর আগে জানিয়েছিল, মিয়ানমার মোট ৫ হাজার নাগরিককে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে। দেশটিতে অভিবাসীবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের দাবি, আটক কেন্দ্রগুলোতে থাকা অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মিয়ানমারের ভাষ্যমতে, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সাজা শেষে এসব কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিরা নানা সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আটক কেন্দ্রগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, অস্বচ্ছ এই প্রক্রিয়ায় যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এছাড়া মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পর পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাও থাকতে পারেন। তবে মালয়েশিয়া ফেরত পাঠানো নাগরিকদের জাতিগত পরিচয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় থাকা প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মিয়ানমারের শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর দুই-তৃতীয়াংশই রোহিঙ্গা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন ১০ হাজার অভিবাসী

আপডেট সময় : ১২:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছর মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১০ হাজার অভিবাসীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সোমবার (৫ অক্টোবর) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সর্বশেষ রোববার ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমারের নাগরিককে বহনকারী একটি জাহাজ ইয়াঙ্গুনের কাছে পৌঁছায়। জাহাজটি ইয়াঙ্গুনের দক্ষিণে থানলিন বন্দরে ভেড়ার পর এর যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনকে পরিচয় ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি মঠের অস্থায়ী কেন্দ্রে নেওয়া হয়। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, এদের দ্রুত নিজ নিজ এলাকায় এবং পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের দাবি অনুযায়ী, এ বছর জাহাজ ও বিমানে করে মোট ৯ হাজার ৫১৭ জন দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিমানে ৮ হাজার ৪১ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মালয়েশিয়া এর আগে জানিয়েছিল, মিয়ানমার মোট ৫ হাজার নাগরিককে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে। দেশটিতে অভিবাসীবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের দাবি, আটক কেন্দ্রগুলোতে থাকা অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মিয়ানমারের ভাষ্যমতে, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সাজা শেষে এসব কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিরা নানা সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আটক কেন্দ্রগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, অস্বচ্ছ এই প্রক্রিয়ায় যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এছাড়া মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পর পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাও থাকতে পারেন। তবে মালয়েশিয়া ফেরত পাঠানো নাগরিকদের জাতিগত পরিচয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় থাকা প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মিয়ানমারের শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর দুই-তৃতীয়াংশই রোহিঙ্গা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin