ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিক্ট ইউনিভার্সিটিতে সম্পূর্ণ ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ কুড়িগ্রামে গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগ, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ গাফিলতি যেভাবে মানুষের জীবন ও সময়কে ধ্বংস করে মাছওয়ালির চরিত্রে কৌশানী, সিনেমার প্রচারে অচেনা লুক দাম্পত্য জীবন সুখময় করার উপায় ও ইসলামি নির্দেশনা নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পথ খুঁজছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প মেসির বিদায়ী অর্জনে শ্রদ্ধা জানালেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদো শ্রীনগরে আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমিরকে মারধর শুধু ওষুধে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, সচেতনতা জরুরি: চসিক মেয়র নির্দিষ্ট কোনো ভাবমূর্তিতে নিজেকে বাঁধতে চান না দিশা পাটানি

ভাইরাল টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়ি: নেপথ্যে এক বিয়ের ফটোশুট

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সম্প্রতি টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়িতে আয়োজিত একটি বিয়ের পোশাকের ফটোশুট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। সাভাটা বাই রিফাহ্‌ ব্র্যান্ডের এই ফটোশুটের মূল লক্ষ্য ছিল কেবল পোশাক প্রদর্শন নয়, বরং ছবিগুলোর মাধ্যমে একটি গল্প ফুটিয়ে তোলা। ১৯৫১ সালের প্রেক্ষাপটে ভালোবাসার এক সম্পর্কের গল্প নিয়ে এই আয়োজনের পরিকল্পনা ও ফটোগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন রনি রেজাউল।

ফটোগ্রাফার রনি রেজাউল জানান, তিনি এমন একটি স্থান খুঁজছিলেন যেখানে পুরোনো স্থাপত্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আমেজ ফুটে ওঠে। হেমনগর জমিদারবাড়ি দেখার পর তিনি একেই উপযুক্ত জায়গা হিসেবে বেছে নেন। এই বড় পরিসরের বাড়িতে বিভিন্ন স্থাপত্যশৈলী থাকায় ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। যদিও গল্পের সময়কাল ১৯৫১ সাল, তবে ছবিগুলোতে বর্তমান সময়ের ফ্যাশন ও সাজসজ্জার ছোঁয়া রাখা হয়েছে, যা পুরোনো দিনের অনুভূতির সঙ্গে সমকালীন ফ্যাশনের এক মেলবন্ধন তৈরি করেছে।

জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘ। পোশাক নির্বাচন, নকশা, মডেল নির্বাচন ও সাজসজ্জার পর দুই দিনে ফটোশুটের কাজ সম্পন্ন হয়। মূল মডেলদের পাশাপাশি এই আয়োজনে আরও ৪০ জন শিল্পী অংশ নেন। মডেল হিসেবে ছিলেন মাইসা, শীলা, তুবা, প্রিয়ন্তী, মঞ্জিতা, প্রিয়াঙ্কা, সাফা মারুয়া, ইলা ও আরোহে এবং পুরুষ মডেলদের মধ্যে ছিলেন রেহান, রাব্বি, ইমন, জারিফ ও আকাশ। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন ফটোগ্রাফি সহকারী মুক্তাদির মাহী, স্টাইলিংয়ে মাশরুর রহমান নিহাল, মেকআপে পারভেজ এবং ভিডিওগ্রাফিতে শুভদীপ্ত সরকার।

শুটিংয়ের সময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অতিরিক্ত ভিড় সামলানো। মানুষের ভিড়ের কারণে প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা শুটিং বন্ধ রাখতে হয়েছিল। রনি রেজাউল ও তার টিম শুটিংয়ের পাঁচ-ছয় দিন আগে থেকে জমিদারবাড়ির বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার ও রঙ করার কাজ করেছিলেন। ফটোশুটটি ভাইরাল হওয়ার পর জায়গাটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। রনি রেজাউল এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকার যেন এই ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণে আরও মনোযোগী হয়। তিনি মনে করেন, এমন স্থাপনাগুলোকে কেবল ফটোশুটের জায়গা হিসেবে নয়, ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাইরাল টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়ি: নেপথ্যে এক বিয়ের ফটোশুট

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রতি টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়িতে আয়োজিত একটি বিয়ের পোশাকের ফটোশুট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। সাভাটা বাই রিফাহ্‌ ব্র্যান্ডের এই ফটোশুটের মূল লক্ষ্য ছিল কেবল পোশাক প্রদর্শন নয়, বরং ছবিগুলোর মাধ্যমে একটি গল্প ফুটিয়ে তোলা। ১৯৫১ সালের প্রেক্ষাপটে ভালোবাসার এক সম্পর্কের গল্প নিয়ে এই আয়োজনের পরিকল্পনা ও ফটোগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন রনি রেজাউল।

ফটোগ্রাফার রনি রেজাউল জানান, তিনি এমন একটি স্থান খুঁজছিলেন যেখানে পুরোনো স্থাপত্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আমেজ ফুটে ওঠে। হেমনগর জমিদারবাড়ি দেখার পর তিনি একেই উপযুক্ত জায়গা হিসেবে বেছে নেন। এই বড় পরিসরের বাড়িতে বিভিন্ন স্থাপত্যশৈলী থাকায় ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। যদিও গল্পের সময়কাল ১৯৫১ সাল, তবে ছবিগুলোতে বর্তমান সময়ের ফ্যাশন ও সাজসজ্জার ছোঁয়া রাখা হয়েছে, যা পুরোনো দিনের অনুভূতির সঙ্গে সমকালীন ফ্যাশনের এক মেলবন্ধন তৈরি করেছে।

জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘ। পোশাক নির্বাচন, নকশা, মডেল নির্বাচন ও সাজসজ্জার পর দুই দিনে ফটোশুটের কাজ সম্পন্ন হয়। মূল মডেলদের পাশাপাশি এই আয়োজনে আরও ৪০ জন শিল্পী অংশ নেন। মডেল হিসেবে ছিলেন মাইসা, শীলা, তুবা, প্রিয়ন্তী, মঞ্জিতা, প্রিয়াঙ্কা, সাফা মারুয়া, ইলা ও আরোহে এবং পুরুষ মডেলদের মধ্যে ছিলেন রেহান, রাব্বি, ইমন, জারিফ ও আকাশ। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন ফটোগ্রাফি সহকারী মুক্তাদির মাহী, স্টাইলিংয়ে মাশরুর রহমান নিহাল, মেকআপে পারভেজ এবং ভিডিওগ্রাফিতে শুভদীপ্ত সরকার।

শুটিংয়ের সময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অতিরিক্ত ভিড় সামলানো। মানুষের ভিড়ের কারণে প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা শুটিং বন্ধ রাখতে হয়েছিল। রনি রেজাউল ও তার টিম শুটিংয়ের পাঁচ-ছয় দিন আগে থেকে জমিদারবাড়ির বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার ও রঙ করার কাজ করেছিলেন। ফটোশুটটি ভাইরাল হওয়ার পর জায়গাটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। রনি রেজাউল এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকার যেন এই ধরনের ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণে আরও মনোযোগী হয়। তিনি মনে করেন, এমন স্থাপনাগুলোকে কেবল ফটোশুটের জায়গা হিসেবে নয়, ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo