তারকাদের বিচ্ছেদে ভক্তদের মন খারাপ হয় কেন?
- আপডেট সময় : ০৯:৩০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

সংগীতশিল্পী-অভিনেতা প্রীতম হাসান ও মডেল-অভিনেত্রী-গায়িকা শেহতাজ মনিরা হাশেমের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটছে। পারস্পরিক বোঝাপড়ায় কিছু বড় পার্থক্যের কারণে তাঁরা আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত ৪ অক্টোবর রাতে ফেসবুকে আলাদা পোস্টে তাঁরা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই খবর সামনে আসার পর থেকেই অনেক ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী দুঃখ প্রকাশ করছেন।
তারকা যুগলের বিচ্ছেদে মানুষ কেন কষ্ট পায়, তা নিয়ে ২০১৬ সালে টাইম ম্যাগাজিনে একটি লেখা লিখেছিলেন নিউইয়র্ক সিটির মনোচিকিৎসক ক্যাথেরিন শ্যাফলার। তাঁর মতে, এর কারণটি বেশ সহজ। যেসব তারকা দম্পতিকে আমরা আদর্শ মনে করি, তাঁদের দেখে আমাদের মনে হয় ভালোবাসাই সবকিছু এবং ভালোবাসা থাকলে যেকোনো বাধা পেরোনো সম্ভব। এই বিশ্বাসটুকু আমরা আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই।
মনোচিকিৎসক ক্যাথেরিন শ্যাফলার আরও জানান, রায়ান গসলিং ও র্যাচেল ম্যাকঅ্যাডামসের বিচ্ছেদ বা ব্র্যাড পিট ও জেনিফার অ্যানিস্টনের মতো তারকাদের সম্পর্কের ভাঙন ভক্তদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এমনকি বিচ্ছেদের এক যুগ পরও রবার্ট প্যাটিনসন ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের প্রেম এখনো অনেকের কাছে আনন্দ-বেদনার কাব্য হয়ে আছে।
সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালোবাসা ভিত্তি হিসেবে কাজ করলেও এটিই সব নয়। মনোচিকিৎসক ক্যাথেরিন শ্যাফলার মনে করেন, সম্পর্কের স্থায়িত্বের জন্য খোলামেলা যোগাযোগ, পারস্পরিক অঙ্গীকার, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং আস্থার প্রয়োজন, যা সবসময় রোমান্টিক নয়।
তারকাদের বিচ্ছেদের খবরগুলো আমাদের সামনে এই অপ্রিয় সত্যটি তুলে ধরে যে, পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয়, ধনী ও প্রতিভাবান মানুষগুলোর সম্পর্কও ভেঙে যেতে পারে। তখন ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগে, তাঁরাই যদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে না পারেন, তবে সাধারণ মানুষ কীভাবে পারবে? তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালোবাসাই সবকিছু নয়—এই সত্যটি মেনে নিলেও, ভালোবাসা দিয়ে কোনো সম্পর্কের যাত্রা শুরু করাটা সব সময় সুন্দর।





























