ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাছ ধরার বোটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আলতাফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘দেশ স্বাধীন হবেই’ সরবরাহ কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট, বাজারে বাড়তি দাম মানুষ কষ্টে আছে, দেশে নিরাপত্তা নেই: জামায়াত আমীর নেশনস লিগে স্পেনের টানা তৃতীয় জয়, আবারও ঝলক ইয়ামালের চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ব্যর্থ: চাঁদাবাজি ও ভুল পরিকল্পনায় জিম্মি সড়ক শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ছাদে আটকা পড়া ৭০ জন উদ্ধার

লম্বা চুল চান? কতদিন পর পর চুল কাটবেন জেনে নিন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুল যদি আপনার সৌন্দর্যচর্চার তালিকায় থাকে, তবে চুল কাটার সময়সূচি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। নিয়মিত চুলের আগা ছাঁটাই করলে চুল দ্রুত বাড়ে—এমন একটি প্রচলিত ধারণা থাকলেও এর পেছনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। মূলত চুল কাটা আপনার চুলের বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেয় না। তবে নির্দিষ্ট সময় পর পর চুল ছাঁটাই করলে আগা ফাটা, চুল ভেঙে যাওয়া এবং অন্যান্য সমস্যা কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

চুল কাটার জন্য সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এমন কোনো বৈজ্ঞানিকভাবে নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। এটি মূলত নির্ভর করে আপনার চুলের ধরন, দৈর্ঘ্য, স্টাইল করার অভ্যাস, রাসায়নিক ব্যবহারের মাত্রা এবং চুল কত দ্রুত ফেটে যায় তার ওপর। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির গবেষণা অনুযায়ী, চুলের আগা ছাঁটাই করলে চুল দ্রুত বাড়ে না, কারণ চুলের বৃদ্ধি ঘটে মাথার ত্বকের নিচে থাকা ফলিকল থেকে। অর্থাৎ, আপনি যদি চুলের ২ সেন্টিমিটার কেটে ফেলেন, তবে ফলিকল স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত কাজ শুরু করবে না; চুল তার স্বাভাবিক গতিতেই বাড়বে।

তাহলে নিয়মিত চুল ছাঁটাই করলে চুলকে স্বাস্থ্যকর দেখায় কেন? চুলের আগা হলো চুলের সবচেয়ে পুরোনো অংশ, যা নিয়মিত আঁচড়ানো, তাপ দিয়ে স্টাইল করা, রং করা এবং সূর্যের আলোর কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগা যখন ফেটে বা ছিঁড়ে যেতে শুরু করে, তখন সেই ক্ষতি ধীরে ধীরে চুলের ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। নিয়মিত ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়, যাতে ক্ষতি আর বাড়তে না পারে।

চুল লম্বা করার সময় আগা সুস্থ রাখতে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা একটি ভালো সময়সীমা। যারা চুলের দৈর্ঘ্য ধরে রাখতে চান এবং যাদের চুল সাধারণত স্বাস্থ্যকর, তাদের জন্য ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা উপযুক্ত। তবে যারা নিয়মিত স্টাইলিংয়ের যন্ত্র, ব্লিচ, রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা প্রয়োজন।

অবশ্যই মনে রাখবেন, প্রতি তিন মাস পর পর চুল কাটতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। চুলের আগা যদি স্বাস্থ্যকর থাকে, তবে ১২ সপ্তাহের চেয়েও বেশি সময় চুল না কেটে থাকা সম্ভব। অন্যদিকে, চুলের আগা যদি ফাটা, ছেঁড়া বা ভঙ্গুর হয়ে যায়, তবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে তা কেটে ফেলাই ভালো। এতে চুল দ্রুত বাড়বে না ঠিকই, কিন্তু চুলের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়া রোধ করা সম্ভব হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

লম্বা চুল চান? কতদিন পর পর চুল কাটবেন জেনে নিন

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চুল যদি আপনার সৌন্দর্যচর্চার তালিকায় থাকে, তবে চুল কাটার সময়সূচি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। নিয়মিত চুলের আগা ছাঁটাই করলে চুল দ্রুত বাড়ে—এমন একটি প্রচলিত ধারণা থাকলেও এর পেছনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। মূলত চুল কাটা আপনার চুলের বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেয় না। তবে নির্দিষ্ট সময় পর পর চুল ছাঁটাই করলে আগা ফাটা, চুল ভেঙে যাওয়া এবং অন্যান্য সমস্যা কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

চুল কাটার জন্য সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এমন কোনো বৈজ্ঞানিকভাবে নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। এটি মূলত নির্ভর করে আপনার চুলের ধরন, দৈর্ঘ্য, স্টাইল করার অভ্যাস, রাসায়নিক ব্যবহারের মাত্রা এবং চুল কত দ্রুত ফেটে যায় তার ওপর। আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির গবেষণা অনুযায়ী, চুলের আগা ছাঁটাই করলে চুল দ্রুত বাড়ে না, কারণ চুলের বৃদ্ধি ঘটে মাথার ত্বকের নিচে থাকা ফলিকল থেকে। অর্থাৎ, আপনি যদি চুলের ২ সেন্টিমিটার কেটে ফেলেন, তবে ফলিকল স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত কাজ শুরু করবে না; চুল তার স্বাভাবিক গতিতেই বাড়বে।

তাহলে নিয়মিত চুল ছাঁটাই করলে চুলকে স্বাস্থ্যকর দেখায় কেন? চুলের আগা হলো চুলের সবচেয়ে পুরোনো অংশ, যা নিয়মিত আঁচড়ানো, তাপ দিয়ে স্টাইল করা, রং করা এবং সূর্যের আলোর কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগা যখন ফেটে বা ছিঁড়ে যেতে শুরু করে, তখন সেই ক্ষতি ধীরে ধীরে চুলের ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। নিয়মিত ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়, যাতে ক্ষতি আর বাড়তে না পারে।

চুল লম্বা করার সময় আগা সুস্থ রাখতে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা একটি ভালো সময়সীমা। যারা চুলের দৈর্ঘ্য ধরে রাখতে চান এবং যাদের চুল সাধারণত স্বাস্থ্যকর, তাদের জন্য ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা উপযুক্ত। তবে যারা নিয়মিত স্টাইলিংয়ের যন্ত্র, ব্লিচ, রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর পর চুল ছাঁটাই করা প্রয়োজন।

অবশ্যই মনে রাখবেন, প্রতি তিন মাস পর পর চুল কাটতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। চুলের আগা যদি স্বাস্থ্যকর থাকে, তবে ১২ সপ্তাহের চেয়েও বেশি সময় চুল না কেটে থাকা সম্ভব। অন্যদিকে, চুলের আগা যদি ফাটা, ছেঁড়া বা ভঙ্গুর হয়ে যায়, তবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে তা কেটে ফেলাই ভালো। এতে চুল দ্রুত বাড়বে না ঠিকই, কিন্তু চুলের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়া রোধ করা সম্ভব হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin