ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাছ ধরার বোটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আলতাফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘দেশ স্বাধীন হবেই’ সরবরাহ কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট, বাজারে বাড়তি দাম মানুষ কষ্টে আছে, দেশে নিরাপত্তা নেই: জামায়াত আমীর নেশনস লিগে স্পেনের টানা তৃতীয় জয়, আবারও ঝলক ইয়ামালের চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ব্যর্থ: চাঁদাবাজি ও ভুল পরিকল্পনায় জিম্মি সড়ক শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ছাদে আটকা পড়া ৭০ জন উদ্ধার

শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে কোনো বিকল্প পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি উল্লেখ করেছেন, সে সময় তাকে অবতরণ করতে না দিলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিতে পারত।

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর একটি অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

শেখ হাসিনাকে কবে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) বা ভারতের সেনাবাহিনী নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া একটি বিয়োগান্তুক পরিস্থিতির কারণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, এমন ঘটনা ঘটা মোটেও উচিত ছিল না, যেখানে বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে করে তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা যখন ঢাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ধরনের আকস্মিক পরিস্থিতির জন্য ভারত আগে থেকে প্রস্তুত ছিল না। তিনি বলেন, "আমরা যদি তাকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত।"

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তারা বারবার বলেছে যে, প্রত্যর্পণের একটি নির্দিষ্ট আইনি ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়া রয়েছে এবং বর্তমানে সেই প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে একটি পরিবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যেও মাঝে মাঝে ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার

আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে কোনো বিকল্প পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি উল্লেখ করেছেন, সে সময় তাকে অবতরণ করতে না দিলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিতে পারত।

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর একটি অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

শেখ হাসিনাকে কবে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) বা ভারতের সেনাবাহিনী নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া একটি বিয়োগান্তুক পরিস্থিতির কারণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, এমন ঘটনা ঘটা মোটেও উচিত ছিল না, যেখানে বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে করে তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা যখন ঢাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ধরনের আকস্মিক পরিস্থিতির জন্য ভারত আগে থেকে প্রস্তুত ছিল না। তিনি বলেন, "আমরা যদি তাকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে পরিস্থিতি একদম অন্যরকম হতে পারত।"

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, এ বিষয়ে ভারত সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তারা বারবার বলেছে যে, প্রত্যর্পণের একটি নির্দিষ্ট আইনি ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়া রয়েছে এবং বর্তমানে সেই প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে একটি পরিবারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যেও মাঝে মাঝে ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin