ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাটির ঘরে তৈলার দ্বীপ ডাকঘর, বাক্স খুললেও মেলে না চিঠি শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজধানীর মহাখালীতে এসি বাসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৬ মিনিট হরমুজ প্রণালিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রামেবি উপাচার্যকে লাঞ্ছনাকারীরা রাষ্ট্র ও জনগণের শত্রু: ভূমিমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে একরাতে আটক আরও ২৫২ জন পাটগ্রামে ১৭ লাখ টাকার দেনমোহর জালিয়াতি করে কমানোর অভিযোগ কাজির বিরুদ্ধে মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থতায় ইসলামের জীবনদর্শন সম্পদের অপচয় রোধে ইসলামের নির্দেশনা ও আমাদের করণীয় নর্থ সাউথ গ্রুপের সবুজ আবাসন: মিলনমেলা ও উৎসব আজ

নির্দিষ্ট কোনো ভাবমূর্তিতে নিজেকে বাঁধতে চান না দিশা পাটানি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



‘এম.এস. ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছিলেন দিশা পাটানি। দেখতে দেখতে রূপালি জগতে তাঁর পথচলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। ফেলে আসা এই এক দশককে নিজের মতো করে মূল্যায়ন করেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এই দীর্ঘ সময়টি ছিল মূলত ‘আবিষ্কারের এক সময়’।

সেটে কাজের একদম প্রাথমিক বিষয়গুলো শেখা থেকে শুরু করে আজ নিজের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা—এই পুরো জার্নিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি ঘটেছে তাঁর নিজের ভেতরেই। দিশা জানান, যখন তিনি প্রথম সিনেমাটি করেছিলেন, তখন সবকিছুই তাঁর কাছে একদম নতুন ছিল। শুটিং সেটের কর্মপদ্ধতি, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চরিত্র ফুটিয়ে তোলা কিংবা পরিচালকের নির্দেশনা বোঝার মতো মৌলিক বিষয়গুলো তখন তাঁকে শিখতে হচ্ছিল।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অনেকটাই সহজাত প্রবৃত্তির ওপর ভর করে কাজ করতেন দিশা পাটানি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজের প্রতি তাঁর বোঝাপড়া আরও পরিপক্ব হয়েছে এবং এখন তিনি নিজের ওপর অনেক বেশি স্বচ্ছন্দে ভরসা রাখতে পারেন। তবে এই অর্জিত আত্মবিশ্বাস যেন কোনোভাবেই আত্মতুষ্টিতে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে বেশ সতর্ক এই অভিনেত্রী। তিনি এমন এক অবস্থানে পৌঁছাতে চান না যেখানে মনে হবে যে তিনি সব শিখে গেছেন কিংবা কোনো পরিশ্রম ছাড়াই সহজে কাজ করে ফেলা সম্ভব।

প্রতিটি নতুন চরিত্রের সঙ্গে যে অনিশ্চয়তা জড়িয়ে থাকে, সেটিই দিশার কাছে অভিনয়কে রোমাঞ্চকর করে তোলে। তাঁর মতে, কাজের প্রতি কৌতূহল হারিয়ে ফেলাই হবে সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার। আর এই কৌতূহলের কারণেই তিনি সবসময় অজানা এক জগতের দিকে টান অনুভব করেন। আগামীতে গ্ল্যামার বা শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে এমন সব চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যেখানে চরিত্রের নিজস্ব দ্বন্দ্ব এবং গভীরতা বেশি থাকবে। অর্থাৎ, চরিত্রটিই যেন পুরো সিনেমাটিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে।

নিজের ভবিষ্যৎ কাজের তালিকায় মনস্তাত্ত্বিক নাটক, চরিত্রনির্ভর থ্রিলার এবং শারীরিক কসরতপূর্ণ চ্যালেঞ্জিং অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন দিশা। ক্যারিয়ারের নতুন দশকে পা রেখে আরও বেশি ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত তিনি। গ্ল্যামারাস ভাবমূর্তি বা কোনো নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রে নিজেকে আটকে না রেখে ভিন্ন ভিন্ন নির্মাতা, ভাষা ও ধারার চলচ্চিত্রে কাজ করার মধ্য দিয়ে নিজেকে ভাঙতে চান এই বলিউড তারকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট কোনো ভাবমূর্তিতে নিজেকে বাঁধতে চান না দিশা পাটানি

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

‘এম.এস. ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রেখেছিলেন দিশা পাটানি। দেখতে দেখতে রূপালি জগতে তাঁর পথচলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। ফেলে আসা এই এক দশককে নিজের মতো করে মূল্যায়ন করেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এই দীর্ঘ সময়টি ছিল মূলত ‘আবিষ্কারের এক সময়’।

সেটে কাজের একদম প্রাথমিক বিষয়গুলো শেখা থেকে শুরু করে আজ নিজের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা—এই পুরো জার্নিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি ঘটেছে তাঁর নিজের ভেতরেই। দিশা জানান, যখন তিনি প্রথম সিনেমাটি করেছিলেন, তখন সবকিছুই তাঁর কাছে একদম নতুন ছিল। শুটিং সেটের কর্মপদ্ধতি, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চরিত্র ফুটিয়ে তোলা কিংবা পরিচালকের নির্দেশনা বোঝার মতো মৌলিক বিষয়গুলো তখন তাঁকে শিখতে হচ্ছিল।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অনেকটাই সহজাত প্রবৃত্তির ওপর ভর করে কাজ করতেন দিশা পাটানি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজের প্রতি তাঁর বোঝাপড়া আরও পরিপক্ব হয়েছে এবং এখন তিনি নিজের ওপর অনেক বেশি স্বচ্ছন্দে ভরসা রাখতে পারেন। তবে এই অর্জিত আত্মবিশ্বাস যেন কোনোভাবেই আত্মতুষ্টিতে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে বেশ সতর্ক এই অভিনেত্রী। তিনি এমন এক অবস্থানে পৌঁছাতে চান না যেখানে মনে হবে যে তিনি সব শিখে গেছেন কিংবা কোনো পরিশ্রম ছাড়াই সহজে কাজ করে ফেলা সম্ভব।

প্রতিটি নতুন চরিত্রের সঙ্গে যে অনিশ্চয়তা জড়িয়ে থাকে, সেটিই দিশার কাছে অভিনয়কে রোমাঞ্চকর করে তোলে। তাঁর মতে, কাজের প্রতি কৌতূহল হারিয়ে ফেলাই হবে সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার। আর এই কৌতূহলের কারণেই তিনি সবসময় অজানা এক জগতের দিকে টান অনুভব করেন। আগামীতে গ্ল্যামার বা শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে এমন সব চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যেখানে চরিত্রের নিজস্ব দ্বন্দ্ব এবং গভীরতা বেশি থাকবে। অর্থাৎ, চরিত্রটিই যেন পুরো সিনেমাটিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে।

নিজের ভবিষ্যৎ কাজের তালিকায় মনস্তাত্ত্বিক নাটক, চরিত্রনির্ভর থ্রিলার এবং শারীরিক কসরতপূর্ণ চ্যালেঞ্জিং অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন দিশা। ক্যারিয়ারের নতুন দশকে পা রেখে আরও বেশি ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত তিনি। গ্ল্যামারাস ভাবমূর্তি বা কোনো নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রে নিজেকে আটকে না রেখে ভিন্ন ভিন্ন নির্মাতা, ভাষা ও ধারার চলচ্চিত্রে কাজ করার মধ্য দিয়ে নিজেকে ভাঙতে চান এই বলিউড তারকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin