ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাজিরায় আদালতের নির্দেশে বিএনপি নেতার দখল করা দোকান সিলগালা উপাচার্যকে চেয়ারে বসালেন ভূমিমন্ত্রী, বললেন ‘দুষ্কৃতকারীদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই’ মাইক্রোসফটসহ ৮ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড স্থগিত, তদন্তে ৯ বিশ্ববিদ্যালয় সৌদির হয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে না তুরস্ক সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার হবে ডিজিটাল যুগেও ফুরিয়ে যায়নি কয়রার ডাকসেবার গুরুত্ব মাটির ঘরে তৈলার দ্বীপ ডাকঘর, বাক্স খুললেও মেলে না চিঠি শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় মদ ও নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ রাজধানীর মহাখালীতে এসি বাসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৬ মিনিট হরমুজ প্রণালিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

শুধু ওষুধে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, সচেতনতা জরুরি: চসিক মেয়র

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ থেকে চট্টগ্রাম নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কেবল ওষুধ ছিটিয়ে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, বরং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

গত বুধবার চসিকের সহযোগিতায় ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডে আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ওষুধ ছিটানো এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত এই কর্মসূচিটি সফল করতে রামপুর ওয়ার্ড বিএনপি জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা প্রদান করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গুকে একটি বড় জনস্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডেই বিশেষ মশক নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সমন্বিতভাবে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে বিভিন্ন এলাকায় ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এডিসের লার্ভা ধ্বংসের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিয়ন্ত্রণেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তারের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, নির্মাণাধীন ভবন, বাসাবাড়ির ছাদ, বেজমেন্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছাদবাগান এবং পরিত্যক্ত পাত্রসহ কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। চসিকের স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকেরা নিয়মিত মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করছেন। অলিগলি, নালা ও খালের মতো জলাবদ্ধ এলাকাগুলোতে লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন করা হচ্ছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংয়ের মতো প্রচারণামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, সম্প্রতি ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। নগরীর প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মশক নিধনকর্মীদের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। অবহেলা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিশেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উক্ত বিশেষ কর্মসূচিতে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শুধু ওষুধে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, সচেতনতা জরুরি: চসিক মেয়র

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ থেকে চট্টগ্রাম নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কেবল ওষুধ ছিটিয়ে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, বরং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

গত বুধবার চসিকের সহযোগিতায় ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডে আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ওষুধ ছিটানো এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত এই কর্মসূচিটি সফল করতে রামপুর ওয়ার্ড বিএনপি জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা প্রদান করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গুকে একটি বড় জনস্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডেই বিশেষ মশক নিধন ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সমন্বিতভাবে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে বিভিন্ন এলাকায় ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। এডিসের লার্ভা ধ্বংসের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিয়ন্ত্রণেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তারের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, নির্মাণাধীন ভবন, বাসাবাড়ির ছাদ, বেজমেন্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছাদবাগান এবং পরিত্যক্ত পাত্রসহ কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। চসিকের স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকেরা নিয়মিত মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করছেন। অলিগলি, নালা ও খালের মতো জলাবদ্ধ এলাকাগুলোতে লার্ভিসাইড প্রয়োগ ও ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন করা হচ্ছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংয়ের মতো প্রচারণামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, সম্প্রতি ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। নগরীর প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মশক নিধনকর্মীদের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। অবহেলা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিশেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উক্ত বিশেষ কর্মসূচিতে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh