ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করলে রুখে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ইউএনও ও ছাত্রদল নেতার বিতর্ক কসোভোর সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বিরোধী এমপির ডিম নিক্ষেপ নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনে ছয়টি কমিটি গঠন হালিশহরে মমতার গাড়িবহরে হামলা, পাথর ও জুতা নিক্ষেপ বড় বন্ধু হলে বাংলাদেশের কিলারকে কেন জায়গা দিয়েছেন: জামায়াত আমির গুরুদাসপুরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর টেকনাফে মুক্তিপণ দিয়ে তিনদিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত দর্জি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ মায়ের তথ্য গোপন করে জামিন চেষ্টার দায়ে আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ইউএনও ও ছাত্রদল নেতার বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রংপুরের পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রাহক ও সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান (মিলু) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসানের মধ্যে হওয়া একটি উত্তপ্ত কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে এই কথোপকথনটি হয়, যা পরে ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অডিওতে মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি দাবি করেন, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ শতাংশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং ৬০ শতাংশ জামায়াত বা জামায়াত সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য। ছাত্রদলের শতাধিক প্রার্থী আবেদন করলেও তাদের মধ্য থেকে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউএনও মাহামুদুল হাসান রাজনৈতিক দলের কোনো সুপারিশ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে এবং লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক তালিকা অনুসরণ করা হয়নি বলে তিনি জানান। এনএসআই বা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এবং পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ইউএনও দাবি করেন।

ইউএনওর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮৫ জন তথ্য সংগ্রহকারীর বিপরীতে ২ হাজার ৮২ জন এবং ১৯ জন সুপারভাইজারের বিপরীতে ৩১৫ জন আবেদন করেছিলেন। গত ৩০ জুলাই যাচাই-বাছাই ও ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৭ আগস্ট রাতে ফলাফল প্রকাশিত হয়। ইউএনও আরও জানান, ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় যারা পাস করতে পেরেছেন, তাদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো নির্ভরযোগ্য অভিযোগ থাকলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে অন্যদের বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ইউএনও মাহামুদুল হাসান বলেন, এটি একটি সাধারণ কথোপকথন ছিল, যা তিনি ভাত খাওয়ার সময় করেছিলেন এবং অপর পক্ষই তা রেকর্ড করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে ছাত্রদল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি প্রকল্প দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ, তাই তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় যাঁরা ভালো করেছেন, তাঁদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের অডিওতে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আপনি (ইউএনও) এভাবে সরকারের রেপুটেশন ঠিক করলেন?

আমরা অলরেডি ৮ থেকে ১০ জনের, ১২ জনের ছবি পাইছি, ফুটেজ পাইছি, যারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত, তারা এখানে নিয়োগ পাইছে।মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি .পরে মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিএনপির ‘পাইলট প্রজেক্টে’ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের যুক্ত করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিয়োগ নিয়ে ইউএনও ও ছাত্রদল নেতার বিতর্ক

আপডেট সময় : ১০:১২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
print news

রংপুরের পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রাহক ও সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান (মিলু) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসানের মধ্যে হওয়া একটি উত্তপ্ত কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে এই কথোপকথনটি হয়, যা পরে ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অডিওতে মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি দাবি করেন, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ শতাংশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং ৬০ শতাংশ জামায়াত বা জামায়াত সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য। ছাত্রদলের শতাধিক প্রার্থী আবেদন করলেও তাদের মধ্য থেকে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইউএনও মাহামুদুল হাসান রাজনৈতিক দলের কোনো সুপারিশ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে এবং লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক তালিকা অনুসরণ করা হয়নি বলে তিনি জানান। এনএসআই বা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এবং পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ইউএনও দাবি করেন।

ইউএনওর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮৫ জন তথ্য সংগ্রহকারীর বিপরীতে ২ হাজার ৮২ জন এবং ১৯ জন সুপারভাইজারের বিপরীতে ৩১৫ জন আবেদন করেছিলেন। গত ৩০ জুলাই যাচাই-বাছাই ও ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৭ আগস্ট রাতে ফলাফল প্রকাশিত হয়। ইউএনও আরও জানান, ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় যারা পাস করতে পেরেছেন, তাদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোনো নির্ভরযোগ্য অভিযোগ থাকলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে অন্যদের বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ইউএনও মাহামুদুল হাসান বলেন, এটি একটি সাধারণ কথোপকথন ছিল, যা তিনি ভাত খাওয়ার সময় করেছিলেন এবং অপর পক্ষই তা রেকর্ড করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে ছাত্রদল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি প্রকল্প দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ, তাই তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় যাঁরা ভালো করেছেন, তাঁদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের অডিওতে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আপনি (ইউএনও) এভাবে সরকারের রেপুটেশন ঠিক করলেন?

আমরা অলরেডি ৮ থেকে ১০ জনের, ১২ জনের ছবি পাইছি, ফুটেজ পাইছি, যারা বিগত দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত, তারা এখানে নিয়োগ পাইছে।মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি .পরে মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিএনপির ‘পাইলট প্রজেক্টে’ রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের যুক্ত করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo