ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরে ফিরলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফকির শওকত ইসরায়েলি নির্বাচনে ফিলিস্তিনিদের রক্তকে হাতিয়ার বানানো হচ্ছে: হামাস ইনস্টাগ্রাম পোস্ট লাইক করে নতুন বিতর্কে কৃতি স্যানন

টেকনাফে মুক্তিপণ দিয়ে তিনদিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত দর্জি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোস্তাক আহমদ (৩১) নামে এক দর্জি। তিনি হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব পানখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে এবং হ্নীলা বাজারে তার একটি দর্জির দোকান রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে হ্নীলা কাঁচাবাজার থেকে মোস্তাক নিখোঁজ হন। একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের কাছে আসা একটি ফোন কলে তাকে অপহরণের বিষয়টি জানানো হয়। অপহরণকারীরা শুরুতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।

মোস্তাকের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী তার বোনজামাই বাহারছড়ার একটি পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ৫ লাখ টাকা রেখে আসেন। টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারীরা অন্য একটি স্থান থেকে মোস্তাককে মুক্তি দেয়। পরিবারের কাছে থাকা অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, মুক্তিপণ না দিলে মোস্তাককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে হত্যার জন্য অন্য কেউ ৩০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও দাবি করেছিল অপহরণকারীরা।

উদ্ধারের পর মোস্তাককে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে এবং বর্তমানে তিনি কথা বলতে পারছেন না বলে পরিবার জানিয়েছে। অপহরণকারীরা বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি দেওয়ায় পরিবার ভয়ে এতদিন চুপ ছিল। মোস্তাক ফিরে এলেও তাকে কারা এবং কেন অপহরণ করেছিল, তা এখনো রহস্যময়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোস্তাক নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিনিময়ে তার ফেরার বিষয়টি পুলিশের জানা নেই। পুলিশ নিখোঁজের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে মুক্তিপণ দিয়ে তিনদিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত দর্জি

আপডেট সময় : ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোস্তাক আহমদ (৩১) নামে এক দর্জি। তিনি হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব পানখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে এবং হ্নীলা বাজারে তার একটি দর্জির দোকান রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে হ্নীলা কাঁচাবাজার থেকে মোস্তাক নিখোঁজ হন। একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের কাছে আসা একটি ফোন কলে তাকে অপহরণের বিষয়টি জানানো হয়। অপহরণকারীরা শুরুতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়।

মোস্তাকের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী তার বোনজামাই বাহারছড়ার একটি পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ৫ লাখ টাকা রেখে আসেন। টাকা পাওয়ার পর অপহরণকারীরা অন্য একটি স্থান থেকে মোস্তাককে মুক্তি দেয়। পরিবারের কাছে থাকা অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, মুক্তিপণ না দিলে মোস্তাককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে হত্যার জন্য অন্য কেউ ৩০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও দাবি করেছিল অপহরণকারীরা।

উদ্ধারের পর মোস্তাককে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে এবং বর্তমানে তিনি কথা বলতে পারছেন না বলে পরিবার জানিয়েছে। অপহরণকারীরা বিষয়টি গোপন রাখতে হুমকি দেওয়ায় পরিবার ভয়ে এতদিন চুপ ছিল। মোস্তাক ফিরে এলেও তাকে কারা এবং কেন অপহরণ করেছিল, তা এখনো রহস্যময়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোস্তাক নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে মুক্তিপণের বিনিময়ে তার ফেরার বিষয়টি পুলিশের জানা নেই। পুলিশ নিখোঁজের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin