ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা ছয় বলে ৬ ছক্কা মেরে নতুন নজির গড়লেন টবি অ্যালবার্ট মেয়ে থেকে ছেলে হওয়া সেই কবিরের এসএসসি জয়, পেলেন ‘এ’ গ্রেড এসএসসি ফল প্রকাশের পর তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল: সংখ্যা নয়, জীবনের মূল্য অনেক বেশি ডিএমপিতে ৭ এডিসি ও এসি পদমর্যাদার কর্মকর্তার বদলি শিয়ালের মুখ থেকে পেঁচার ছানাকে বাঁচাল পাহারাদার কুকুর যশোর বোর্ডে এসএসসিতে ১১ স্কুলে শতভাগ ফেল, কমেছে শতভাগ পাসের হার রাজধানীতে প্রবল বৃষ্টিতে গাছ উপড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ গাড়ি, তীব্র যানজট ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান

বড় বন্ধু হলে বাংলাদেশের কিলারকে কেন জায়গা দিয়েছেন: জামায়াত আমির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পাশের দেশের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছেন, তারা যদি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু হয়, তবে কেন তারা দেশের বড় কিলারকে নিজেদের বুকে জায়গা দিয়েছে। তিনি বলেন, শুধু জায়গা দেওয়াই নয়, বরং কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ককে উপেক্ষা করে তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। জামায়াত আমির এর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, শত্রুর কাজ করে মুখে বন্ধুত্বের কথা বলায় বাংলাদেশের মানুষ বোকা নয়।

রোববার বিকালে রাজধানীর ইস্কাটনে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান – ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক ৩৬ জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অপরাধীরা ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে বাঁচতে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের লোকজন এখন উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে এবং ক্ষমতায় ফেরার গল্প শোনাচ্ছে। তিনি বলেন, যারা সবসময় আত্মহত্যার হুমকি দেয় তারা যেমন আত্মহত্যা করে না, তেমনি যারা যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করে তারা নিজেদের বীর দাবি করে না। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এতই যদি সাহস তবে তারা পালালেন কেন?

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিনি এখন বলছেন গোপালগঞ্জ যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে মস্কোয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ এখন সব তথ্য বেরিয়ে আসছে যে, তিনি পাশের দেশের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, জাতি এই তামাশা আর দেখতে বা শুনতে চায় না।

জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, এদেশের ফ্যাসিবাদীদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। ফ্যাসিবাদ একটি ভাইরাস যা ব্যক্তির গায়ে ভর করে, তাই নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। যে অপকর্মের জন্য আগের সরকারকে ফ্যাসিবাদী বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারও যদি একই কাজ করে তবে তারাও ফ্যাসিবাদী হিসেবে গণ্য হবে। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করা। জাতিসংঘের হিসেবে এই আন্দোলনে ১৪ শতাধিক মানুষ মারা গেছেন, যার মধ্যে ৬ থেকে ৭ শত ছিলেন সাধারণ শ্রমিক।

মেধাতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সৎ ও মেধাবীদের নাজেহাল করে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিশোধ জাতির বিরুদ্ধে। ক্ষমতার দম্ভে কেউ যেন দিশাহারা না হয়, কারণ যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

অনুষ্ঠানে এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। এতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে চিকিৎসা, শিক্ষা ও মানবিক সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ১১টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বড় বন্ধু হলে বাংলাদেশের কিলারকে কেন জায়গা দিয়েছেন: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৯:২৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
print news

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পাশের দেশের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছেন, তারা যদি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু হয়, তবে কেন তারা দেশের বড় কিলারকে নিজেদের বুকে জায়গা দিয়েছে। তিনি বলেন, শুধু জায়গা দেওয়াই নয়, বরং কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ককে উপেক্ষা করে তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। জামায়াত আমির এর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, শত্রুর কাজ করে মুখে বন্ধুত্বের কথা বলায় বাংলাদেশের মানুষ বোকা নয়।

রোববার বিকালে রাজধানীর ইস্কাটনে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান – ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক ৩৬ জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অপরাধীরা ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে বাঁচতে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের লোকজন এখন উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে এবং ক্ষমতায় ফেরার গল্প শোনাচ্ছে। তিনি বলেন, যারা সবসময় আত্মহত্যার হুমকি দেয় তারা যেমন আত্মহত্যা করে না, তেমনি যারা যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করে তারা নিজেদের বীর দাবি করে না। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এতই যদি সাহস তবে তারা পালালেন কেন?

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিনি এখন বলছেন গোপালগঞ্জ যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে মস্কোয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ এখন সব তথ্য বেরিয়ে আসছে যে, তিনি পাশের দেশের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, জাতি এই তামাশা আর দেখতে বা শুনতে চায় না।

জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, এদেশের ফ্যাসিবাদীদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। ফ্যাসিবাদ একটি ভাইরাস যা ব্যক্তির গায়ে ভর করে, তাই নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। যে অপকর্মের জন্য আগের সরকারকে ফ্যাসিবাদী বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারও যদি একই কাজ করে তবে তারাও ফ্যাসিবাদী হিসেবে গণ্য হবে। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করা। জাতিসংঘের হিসেবে এই আন্দোলনে ১৪ শতাধিক মানুষ মারা গেছেন, যার মধ্যে ৬ থেকে ৭ শত ছিলেন সাধারণ শ্রমিক।

মেধাতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সৎ ও মেধাবীদের নাজেহাল করে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিশোধ জাতির বিরুদ্ধে। ক্ষমতার দম্ভে কেউ যেন দিশাহারা না হয়, কারণ যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

অনুষ্ঠানে এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। এতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে চিকিৎসা, শিক্ষা ও মানবিক সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ১১টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh