ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

বিরোধী দলকে যুক্ত করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ সম্পাদকদের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন। আজ রোববার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সম্পাদকদের এই পরামর্শের সঙ্গে একমত পোষণ করে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিরোধী দলকে অংশ নেওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে এবং তারা যখনই আসবে, তাদের স্বাগত জানানো হবে।

বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে বছরের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। বিলটি পাস হওয়ার পর কিছু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে গণভোটের প্রয়োজন পড়বে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের যে বিধান ছিল, তা আওয়ামী লীগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর উচ্চ আদালত এই অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের আদেশ দেওয়ায় এটি সংবিধানে ফিরবে। বিশেষ করে সংবিধানের प्रस्तावনা, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনতে হলে সংসদে বিল পাসের পর এবং রাষ্ট্রপতির সইয়ের আগে গণভোট আয়োজন করতে হবে। তবে পুরো সংশোধনীর ওপর গণভোটের প্রয়োজন হবে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, গণভোটের অধ্যাদেশটি এখনও আইনে রূপান্তরিত না হলেও কমিটি জুলাই সনদ ও গণভোটের চেতনাকে ধারণ করে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সম্পাদক ও সাংবাদিকেরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আলোচনাকে কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের একক নিয়ন্ত্রণের বাইরে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান যাতে একই ব্যক্তি না হতে পারেন, সেই বিধান করারও পরামর্শ দেওয়া হয়। অতীতে সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার মানসিকতার খারাপ পরিণতির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন কেউ কেউ।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও এর কাঠামো নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা না হয় এবং বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তবতায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন কেউ কেউ। তাঁরা বলেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে তা যেন কেবল নিম্নকক্ষের আসনসংখ্যার অনুপাতে না হয়ে ভিন্নমত ও বিরোধী দলের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার মতো করে করা হয়।

কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিকেরা তাঁদের সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়েছেন এবং অনেকে পরে লিখিত আকারে প্রস্তাব পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁরা সংবিধান সংশোধনের কাজটি ঐক্যবদ্ধভাবে করতে চান এবং বিরোধী দলের প্রতি তাঁদের আহ্বান অব্যাহত থাকবে।

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে অংশ নেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, দেশ রূপান্তর সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, কালবেলা সম্পাদক শন্তোষ শর্মা, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক আব্দুল হাই ছিদ্দিক, নয়া দিগন্ত–এর নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলি, আমার দেশ–এর যুগ্ম সম্পাদক এম আব্দুল্লাহ এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড–এর নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আব্দুল আজিজ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান, বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন জামিল ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাবেক সভাপতি খাজা মাইন উদ্দিন ও বর্তমান সভাপতি দৌলত আকতার মালা।

বিশেষ কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম মনি, জয়নুল আবেদীন, জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা ও মাহমুদুল হক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিরোধী দলকে যুক্ত করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ সম্পাদকদের

আপডেট সময় : ১২:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকেরা বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন। আজ রোববার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সম্পাদকদের এই পরামর্শের সঙ্গে একমত পোষণ করে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিরোধী দলকে অংশ নেওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে এবং তারা যখনই আসবে, তাদের স্বাগত জানানো হবে।

বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে বছরের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। বিলটি পাস হওয়ার পর কিছু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে গণভোটের প্রয়োজন পড়বে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের যে বিধান ছিল, তা আওয়ামী লীগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর উচ্চ আদালত এই অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের আদেশ দেওয়ায় এটি সংবিধানে ফিরবে। বিশেষ করে সংবিধানের प्रस्तावনা, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনতে হলে সংসদে বিল পাসের পর এবং রাষ্ট্রপতির সইয়ের আগে গণভোট আয়োজন করতে হবে। তবে পুরো সংশোধনীর ওপর গণভোটের প্রয়োজন হবে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, গণভোটের অধ্যাদেশটি এখনও আইনে রূপান্তরিত না হলেও কমিটি জুলাই সনদ ও গণভোটের চেতনাকে ধারণ করে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সম্পাদক ও সাংবাদিকেরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আলোচনাকে কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের একক নিয়ন্ত্রণের বাইরে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান যাতে একই ব্যক্তি না হতে পারেন, সেই বিধান করারও পরামর্শ দেওয়া হয়। অতীতে সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার মানসিকতার খারাপ পরিণতির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন কেউ কেউ।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও এর কাঠামো নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা না হয় এবং বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তবতায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন কেউ কেউ। তাঁরা বলেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে তা যেন কেবল নিম্নকক্ষের আসনসংখ্যার অনুপাতে না হয়ে ভিন্নমত ও বিরোধী দলের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার মতো করে করা হয়।

কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিকেরা তাঁদের সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়েছেন এবং অনেকে পরে লিখিত আকারে প্রস্তাব পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁরা সংবিধান সংশোধনের কাজটি ঐক্যবদ্ধভাবে করতে চান এবং বিরোধী দলের প্রতি তাঁদের আহ্বান অব্যাহত থাকবে।

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে অংশ নেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, দেশ রূপান্তর সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, কালবেলা সম্পাদক শন্তোষ শর্মা, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক আব্দুল হাই ছিদ্দিক, নয়া দিগন্ত–এর নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলি, আমার দেশ–এর যুগ্ম সম্পাদক এম আব্দুল্লাহ এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড–এর নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব আব্দুল আজিজ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান, বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন জামিল ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাবেক সভাপতি খাজা মাইন উদ্দিন ও বর্তমান সভাপতি দৌলত আকতার মালা।

বিশেষ কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম মনি, জয়নুল আবেদীন, জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা ও মাহমুদুল হক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo