ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে যেভাবে মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায় ফ্যামিলি কার্ডের সুফল পেতে স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা জরুরি: ফাহমিদা খাতুন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ থাড ক্ষেপণাস্ত্র শেষ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জবাবে পাল্টা সাত মার্কিন কোম্পানির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা মোদি-সংক্রান্ত পোস্ট সীমাবদ্ধ করায় ভারতের কাছে ক্ষমা চাইল মেটা সরকারকে ব্যর্থ করতে চক্রান্ত চলছে: রুহুল কবির রিজভী জাতিসংঘে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরানের চুক্তি ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ ইনফান্তিনোর, তবুও ফিফার নেতৃত্বে বহাল ধান-সবজির চেয়ে গবাদিপশু পালনে ছয়গুণ বেশি আয় ক্ষুদ্র কৃষকের

ফ্যামিলি কার্ডের সুফল পেতে স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা জরুরি: ফাহমিদা খাতুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সফলতার বিষয়টি অনেকাংশে এর নকশা ও কাঠামোর ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, এই কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত সামাজিক নিবন্ধন বা সোশ্যাল রেজিস্ট্রি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিতরণব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে আন্তর্জাতিক গ্রোথ সেন্টার (আইজিসি) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

ফাহমিদা খাতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের অধীনে অসংখ্য কর্মসূচি পরিচালিত হলেও সেগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। একই ধরনের একাধিক কর্মসূচি চলায় সম্পদের অপচয় হচ্ছে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বিচ্ছিন্ন এই কর্মসূচিগুলোকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সময় এসেছে। পাশাপাশি কর্মসূচির কার্যকারিতা ও ফলাফল মূল্যায়নের ওপর জোর দিতে হবে।

সুবিধাভোগী নির্বাচনে অনিয়ম ও বাদ পড়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি সহায়তার পরিমাণ মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনার মতো হওয়া উচিত বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। ফাহমিদা খাতুন বলেন, অতীতে ৫০০ বা ৬০০ টাকার ভাতা দিয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি, সে তুলনায় মাসে আড়াই হাজার টাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্ক। বিশেষ করে যাঁদের নগদ অর্থের প্রবেশাধিকার নেই, তাঁদের জন্য এটি সহায়ক। তবে এই অর্থ স্থির থাকবে নাকি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে শুরু থেকেই সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

অতীতে স্থানীয় সরকার ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে সেবা প্রদানের দক্ষতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, রাজস্ব আহরণ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ডের সুফল পেতে স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা জরুরি: ফাহমিদা খাতুন

আপডেট সময় : ০১:০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সফলতার বিষয়টি অনেকাংশে এর নকশা ও কাঠামোর ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, এই কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত সামাজিক নিবন্ধন বা সোশ্যাল রেজিস্ট্রি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বিতরণব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে আন্তর্জাতিক গ্রোথ সেন্টার (আইজিসি) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

ফাহমিদা খাতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের অধীনে অসংখ্য কর্মসূচি পরিচালিত হলেও সেগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। একই ধরনের একাধিক কর্মসূচি চলায় সম্পদের অপচয় হচ্ছে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বিচ্ছিন্ন এই কর্মসূচিগুলোকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সময় এসেছে। পাশাপাশি কর্মসূচির কার্যকারিতা ও ফলাফল মূল্যায়নের ওপর জোর দিতে হবে।

সুবিধাভোগী নির্বাচনে অনিয়ম ও বাদ পড়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি সহায়তার পরিমাণ মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনার মতো হওয়া উচিত বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। ফাহমিদা খাতুন বলেন, অতীতে ৫০০ বা ৬০০ টাকার ভাতা দিয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হয়নি, সে তুলনায় মাসে আড়াই হাজার টাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্ক। বিশেষ করে যাঁদের নগদ অর্থের প্রবেশাধিকার নেই, তাঁদের জন্য এটি সহায়ক। তবে এই অর্থ স্থির থাকবে নাকি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে শুরু থেকেই সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

অতীতে স্থানীয় সরকার ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে সেবা প্রদানের দক্ষতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, রাজস্ব আহরণ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo