ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরানের চুক্তি ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ ইনফান্তিনোর, তবুও ফিফার নেতৃত্বে বহাল ধান-সবজির চেয়ে গবাদিপশু পালনে ছয়গুণ বেশি আয় ক্ষুদ্র কৃষকের গবেষণায় জালিয়াতি: কেবল অসাধুতা নয়, কাঠামোগত দুর্বলতাই মূল কারণ দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিপ্রতি বাড়ল ৯৮৫৬ টাকা গাজীপুরে যাত্রীবেশে অটোরিকশাচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা গোপালগঞ্জে আজ চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় খুলনায় ২৫৫৮ কোটির পানি সরবরাহ প্রকল্পে বিপর্যয়, মিলছে না প্রত্যাশার অর্ধেকও জৈন্তাপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি চাষ, সংঘাতের শঙ্কা

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরানের চুক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়ে ওমানের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য প্রদান করেননি।

বাকেই জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে প্রণালিটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। কারণ, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে বাকেই উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপত্তাহীন করে তোলার জন্য দায়ী কারণগুলো এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে ইরান ও তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী জানিয়েছেন, নতুন এই পথটি হবে অস্থায়ী, যা দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত চালু থাকতে পারে। এদিকে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে, যেখানে ওমান ৩ শতাংশ শুল্কের বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো শুল্কই আরোপের পক্ষে নয়। প্রস্তাবিত এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে নৌপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করলেও, ইরান বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে আসছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রণালিটি দ্রুত খুলে না দিলে ইরানকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরানের চুক্তি

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়ে ওমানের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য প্রদান করেননি।

বাকেই জানিয়েছেন, ওমানের সঙ্গে প্রণালিটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচলের নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। কারণ, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে বাকেই উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপত্তাহীন করে তোলার জন্য দায়ী কারণগুলো এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে ইরান ও তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী জানিয়েছেন, নতুন এই পথটি হবে অস্থায়ী, যা দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত চালু থাকতে পারে। এদিকে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে, যেখানে ওমান ৩ শতাংশ শুল্কের বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো শুল্কই আরোপের পক্ষে নয়। প্রস্তাবিত এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে নৌপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করলেও, ইরান বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে আসছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে তেহরান হরমুজ প্রণালি প্রায় পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রণালিটি দ্রুত খুলে না দিলে ইরানকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh