ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়তে চান মারুফ ডিসেম্বরের মধ্যে স্মার্ট বন্দরে রূপান্তর চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম মসজিদে সৌরবিদ্যুৎ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের নীতিমালা তৈরির সুপারিশ কমিটির লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো ধ্বংসের কথা বলে তীব্র সমালোচনায় ট্রাম্প বীমা খাতে গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে আইডিআরএ’র বিশেষ উদ্যোগ বিকৃত ভিডিও নিয়ে ক্ষুব্ধ জাহ্নবী, নিলেন কড়া অবস্থান গণঅধিকারের সদস্য জসিমের পদ স্থগিত, কারণ দর্শানোর নোটিশ শ্রেয়াস আইয়ারের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল ভারত নেশনস লিগে ইভান বাশিচের পেনাল্টি গোলে পোল্যান্ডকে হারাল বসনিয়া আজ শেষ হচ্ছে একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় ধাপের ভর্তি নিশ্চায়ন

মিয়ানমার বলছে বাংলাদেশে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার বাস্তুচ্যুত নাগরিককে রাখাইন রাজ্যের ‘সাবেক বাসিন্দা’ বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার। রোববার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, তাদের কাছে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪টি নাম জমা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে থাকা রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করেছে মিয়ানমার। তবে মিয়ানমার দাবি করেছে, তাদের তালিকায় থাকা ৪২৪১ জনকে তারা সন্ত্রাসী তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করেছে এবং আরও এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে তারা যাচাই করতে পারেনি।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নতি ও স্থিতিশীল হওয়া শুরু করলেই কেবল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণভাবেই বাংলাদেশের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দ্বিপাক্ষিক প্রস্তুতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি ফিরে যায়নি। অন্যদিকে, মালয়েশিয়া থেকে ৫০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সম্মত হলেও, মালয়েশিয়া জানিয়েছে যে জীবন ঝুঁকির মুখে থাকলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর দমনাভিযানের পর সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরপরও অনেকে সমুদ্র ও স্থলপথে অনিশ্চিত যাত্রার মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা অব্যাহত রেখেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

মিয়ানমার বলছে বাংলাদেশে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার বাস্তুচ্যুত নাগরিককে রাখাইন রাজ্যের ‘সাবেক বাসিন্দা’ বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার। রোববার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, তাদের কাছে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪টি নাম জমা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে থাকা রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করেছে মিয়ানমার। তবে মিয়ানমার দাবি করেছে, তাদের তালিকায় থাকা ৪২৪১ জনকে তারা সন্ত্রাসী তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করেছে এবং আরও এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনকে তারা যাচাই করতে পারেনি।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নতি ও স্থিতিশীল হওয়া শুরু করলেই কেবল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণভাবেই বাংলাদেশের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দ্বিপাক্ষিক প্রস্তুতির উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি ফিরে যায়নি। অন্যদিকে, মালয়েশিয়া থেকে ৫০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সম্মত হলেও, মালয়েশিয়া জানিয়েছে যে জীবন ঝুঁকির মুখে থাকলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর দমনাভিযানের পর সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরপরও অনেকে সমুদ্র ও স্থলপথে অনিশ্চিত যাত্রার মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা অব্যাহত রেখেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin