ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে মাদরাসা ভাঙচুর ও প্রধান শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব, আহত ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে চরফ্যাশন আইনজীবী সমিতির এপিপি হিরনের সদস্যপদ ফের স্থগিত পানির তীব্র সংকট: ২০৩০ সালের আগেই ফুরিয়ে যাবে কাবুলের জল! ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৯৬ নতুন রোগী ফ্রান্সে ছাত্র বিক্ষোভ ও সংঘাত, গ্রেপ্তার ৬ হাজার জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উপ-নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনের দাবি বিরোধীদের সার্বিয়ার ভিসা দেওয়ার নামে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০২৪ সালে ক্যাম্পাসে সংঘটিত কথিত গণধর্ষণের ঘটনা সামলানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ নিয়েছেন। সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে যখন ক্যাম্পাসে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করছেন, ঠিক তখনই এই পদক্ষেপ নেয়া হলো।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রম ইতিহাসের অধ্যাপক এবং ফ্যাকাল্টি সিনেটের সদস্য পল অর্টিজ জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফ্যাকাল্টি কমিটির কাছে অনাস্থা প্রস্তাবটি জমা দেয়া হয়েছে। কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করার পর আগামী ১৪ই অক্টোবর ফ্যাকাল্টি সিনেটের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এটি তোলা হবে। সাধারণত অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে কোনো নেতা বা প্রশাসনের ওপর আস্থা হারানোর বিষয়টি প্রকাশ করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বের প্রতি গুরুতর অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয় এবং তাদের পদক্ষেপ নিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

অধ্যাপক অর্টিজ সিএনএনকে বলেন, শত শত শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও কর্মী আমাদের কাছে এসে দাবি জানিয়েছেন যেন আমরা এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে আয়োজিত সমাবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যেখানে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা ‘লজ্জা’ ও ‘পদত্যাগ করো’ স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে ক্যাম্পাস পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর ‘জেন ডো’ নামে পরিচিত ওই নারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা যথাযথভাবে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টার অনুযায়ী, বুধবার কিছু সংগঠন ‘জেন ডোর সঙ্গে সংহতি’ জানিয়ে সাত ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে। গত মাসে জেন ডো বিশ্ববিদ্যালয়, চি ফাই ভ্রাতৃসংঘ এবং ওই ভ্রাতৃসংঘের সাত সদস্যসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সুরক্ষা দিতে এবং অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া, জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয়ের অভিযোগ দায়ের না করার সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

২০২৪ সালে ক্যাম্পাসে সংঘটিত কথিত গণধর্ষণের ঘটনা সামলানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ নিয়েছেন। সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে যখন ক্যাম্পাসে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করছেন, ঠিক তখনই এই পদক্ষেপ নেয়া হলো।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রম ইতিহাসের অধ্যাপক এবং ফ্যাকাল্টি সিনেটের সদস্য পল অর্টিজ জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফ্যাকাল্টি কমিটির কাছে অনাস্থা প্রস্তাবটি জমা দেয়া হয়েছে। কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করার পর আগামী ১৪ই অক্টোবর ফ্যাকাল্টি সিনেটের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এটি তোলা হবে। সাধারণত অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে কোনো নেতা বা প্রশাসনের ওপর আস্থা হারানোর বিষয়টি প্রকাশ করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বের প্রতি গুরুতর অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয় এবং তাদের পদক্ষেপ নিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

অধ্যাপক অর্টিজ সিএনএনকে বলেন, শত শত শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও কর্মী আমাদের কাছে এসে দাবি জানিয়েছেন যেন আমরা এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে আয়োজিত সমাবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যেখানে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা ‘লজ্জা’ ও ‘পদত্যাগ করো’ স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে ক্যাম্পাস পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর ‘জেন ডো’ নামে পরিচিত ওই নারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা যথাযথভাবে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টার অনুযায়ী, বুধবার কিছু সংগঠন ‘জেন ডোর সঙ্গে সংহতি’ জানিয়ে সাত ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে। গত মাসে জেন ডো বিশ্ববিদ্যালয়, চি ফাই ভ্রাতৃসংঘ এবং ওই ভ্রাতৃসংঘের সাত সদস্যসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সুরক্ষা দিতে এবং অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া, জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয়ের অভিযোগ দায়ের না করার সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin