ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম কাঙ্ক্ষিত বৃত্তি হলো চিভনিং স্কলারশিপ। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে এই স্কলারশিপের জন্য বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বৃত্তির বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনের নিয়মাবলি chevening.org ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই বৃত্তি কার্যক্রমটি যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণ পেশাজীবীদের জন্য একটি ফুল ফান্ডেড বৃত্তি। এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের ১৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পান।

চিভনিং স্কলারশিপের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি, যাতায়াতের বিমান ভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা এবং আবাসনসহ আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার। তবে এই বৃত্তির জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্তাবলি রয়েছে। আবেদনের জন্য ন্যূনতম দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। এই অভিজ্ঞতার মধ্যে চাকরি ছাড়াও ছাত্রজীবনের পার্টটাইম কাজ বা ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতাও গণ্য করা হয়। সাধারণত উন্নয়ন সংস্থা, ইয়ুথ ফোরাম, স্বাস্থ্য, আইন পেশা এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্য থেকে বৃত্তিপ্রাপ্তের সংখ্যা বেশি থাকে, তবে পেশাদার সাংবাদিকেরাও আবেদনের যোগ্য।

আবেদনের সাধারণ যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে অন্তত দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। এছাড়া ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হয়। আবেদনের জন্য ইংরেজি ভাষায় দুটি সুপারিশপত্র বা রেফারেন্স লেটার, পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রির সনদ প্রয়োজন হবে। এছাড়া নির্বাচিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির 'অফার লেটার' যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃতদের ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।

আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, সামাজিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, নেটওয়ার্কিং দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তদের পড়াশোনা শেষ করে নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকার করতে হয়। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিভনিং বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ থেকে ২২ জন তরুণ পেশাজীবীকে এই বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

চিভনিংয়ের আওতায় পড়াশোনা শেষে বৃত্তিপ্রাপ্তদের নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকারও করতে হয়।.কাতারে দোহা ইনস্টিটিউটে স্কলারশিপ, আবেদন ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম কাঙ্ক্ষিত বৃত্তি হলো চিভনিং স্কলারশিপ। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে এই স্কলারশিপের জন্য বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বৃত্তির বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনের নিয়মাবলি chevening.org ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই বৃত্তি কার্যক্রমটি যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণ পেশাজীবীদের জন্য একটি ফুল ফান্ডেড বৃত্তি। এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের ১৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পান।

চিভনিং স্কলারশিপের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি, যাতায়াতের বিমান ভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা এবং আবাসনসহ আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার। তবে এই বৃত্তির জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্তাবলি রয়েছে। আবেদনের জন্য ন্যূনতম দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। এই অভিজ্ঞতার মধ্যে চাকরি ছাড়াও ছাত্রজীবনের পার্টটাইম কাজ বা ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতাও গণ্য করা হয়। সাধারণত উন্নয়ন সংস্থা, ইয়ুথ ফোরাম, স্বাস্থ্য, আইন পেশা এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্য থেকে বৃত্তিপ্রাপ্তের সংখ্যা বেশি থাকে, তবে পেশাদার সাংবাদিকেরাও আবেদনের যোগ্য।

আবেদনের সাধারণ যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে অন্তত দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। এছাড়া ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস (IELTS) পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হয়। আবেদনের জন্য ইংরেজি ভাষায় দুটি সুপারিশপত্র বা রেফারেন্স লেটার, পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রির সনদ প্রয়োজন হবে। এছাড়া নির্বাচিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির 'অফার লেটার' যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃতদের ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।

আবেদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, সামাজিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, নেটওয়ার্কিং দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তদের পড়াশোনা শেষ করে নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকার করতে হয়। বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনের মতো শিক্ষার্থী চিভনিং বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ থেকে ২২ জন তরুণ পেশাজীবীকে এই বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

চিভনিংয়ের আওতায় পড়াশোনা শেষে বৃত্তিপ্রাপ্তদের নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকারও করতে হয়।.কাতারে দোহা ইনস্টিটিউটে স্কলারশিপ, আবেদন ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo