ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব ১৫ শতাংশ কমেছে বিমান মন্ত্রণালয়ে সিন্ডিকেট দূর করার চেষ্টা চলছে: আফরোজা খানম চুয়াডাঙ্গায় অন্যের মোড়কে সার বাজারজাত, জামান অ্যাগ্রোকে জরিমানা জবিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে রাজধানীতে যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা সাঈদী ছিলেন কোরআনের জনপ্রিয় দাঈ: মামুনুল হক গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া সুবিধা পরিশোধে ২ হাজার ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ শিগগিরই আসছে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, চলছে শেষ মুহূর্তের যাচাই-বাছাই

বিএনপির নতুন মহাসচিব হিসেবে আলোচনায় চার নেতার নাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর বিএনপির মহাসচিব পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কে আসছেন, তা নিয়ে এখন দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে নতুন মহাসচিবের নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, মহাসচিব কে হচ্ছেন তা সময়মতো জানানো হবে। দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জানিয়েছেন, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপাতত একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে।

দলের একাধিক সূত্র বলছে, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আপাতত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারিতে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার সম্ভাবনা রয়েছে। রিজভী দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক ও দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। গত দেড় দশকে মামলা, হামলা ও কারাবরণ সত্ত্বেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেলেও তিনি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রমে নিয়মিত সম্পৃক্ত থেকেছেন।

মহাসচিব পদে আলোচনায় থাকা অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় নীতিনির্ধারণে ভূমিকা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তার কারণে তাকে অন্যতম প্রধান প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলও আলোচনায় রয়েছেন। তারা উভয়েই ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথের ভূমিকা এবং নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচিত এই চারজনের বাইরে অন্য কোনো নেতাকেও এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপির নতুন মহাসচিব হিসেবে আলোচনায় চার নেতার নাম

আপডেট সময় : ০৫:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর বিএনপির মহাসচিব পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কে আসছেন, তা নিয়ে এখন দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে নতুন মহাসচিবের নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, মহাসচিব কে হচ্ছেন তা সময়মতো জানানো হবে। দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জানিয়েছেন, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপাতত একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে।

দলের একাধিক সূত্র বলছে, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আপাতত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারিতে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার সম্ভাবনা রয়েছে। রিজভী দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক ও দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। গত দেড় দশকে মামলা, হামলা ও কারাবরণ সত্ত্বেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেলেও তিনি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রমে নিয়মিত সম্পৃক্ত থেকেছেন।

মহাসচিব পদে আলোচনায় থাকা অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় নীতিনির্ধারণে ভূমিকা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তার কারণে তাকে অন্যতম প্রধান প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলও আলোচনায় রয়েছেন। তারা উভয়েই ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথের ভূমিকা এবং নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচিত এই চারজনের বাইরে অন্য কোনো নেতাকেও এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh