ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে জাহাজের ট্যাংকে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, মামলা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারী টালিউডে দেবের চেয়ে পিছিয়ে জিতের নতুন সিনেমার অগ্রিম বুকিং সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াও কঠিন হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী রাজধানীতে শিল্প ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে দুটি পৃথক প্রদর্শনী যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’ বললেন নেতানিয়াহু মুন্সীগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত জামায়াত সমাজ নষ্ট করছে, মন্তব্য মাদারীপুর-৩ আসনের এমপির নেত্রকোনায় কবরস্থানের দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২০, এলাকায় উত্তেজনা

জবিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে আয়োজিত লাইব্রেরির কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনার সময় এ ঘটনা ঘটে। এতে অংশ নেওয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, আয়োজকরা অংশগ্রহণকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেননি। ফলে তাদের হাতে গরুর মাংসের ভুনাখিচুড়ির বক্স পৌঁছে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব বিষয়টি ‘পুরোটাই মিথ্যা এবং ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠানে ভুনাখিচুড়ির পাশাপাশি সনাতন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি রেস্টুরেন্ট থেকে মোরগ পোলাওয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তবে খাবারগুলো স্টেজের পেছনে থাকায় আয়োজকদের অজান্তে সেগুলো অন্যরা খেয়ে ফেলে। এর ফলে ভুলবশত ভুনাখিচুড়ির বক্স সনাতন শিক্ষার্থীদের হাতে চলে যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি আরও ৫০টি মোরগ পোলাও আনিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করেন।

রিয়াসাল রাকিব আরও স্বীকার করেন যে, খাবারের বিষয়টি মাইকে ঘোষণা না করাটা ছিল একটি বড় ভুল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য তিনি এবং উপস্থাপকরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও খাদ্যাভ্যাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা জরুরি। বিশেষ করে সংবর্ধনার মতো অনুষ্ঠানে আগে থেকেই খাদ্যসংক্রান্ত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া এবং পৃথক খাবারের ব্যবস্থা থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জবিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে আয়োজিত লাইব্রেরির কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনার সময় এ ঘটনা ঘটে। এতে অংশ নেওয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, আয়োজকরা অংশগ্রহণকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেননি। ফলে তাদের হাতে গরুর মাংসের ভুনাখিচুড়ির বক্স পৌঁছে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব বিষয়টি ‘পুরোটাই মিথ্যা এবং ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করেছেন। তার ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠানে ভুনাখিচুড়ির পাশাপাশি সনাতন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি রেস্টুরেন্ট থেকে মোরগ পোলাওয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তবে খাবারগুলো স্টেজের পেছনে থাকায় আয়োজকদের অজান্তে সেগুলো অন্যরা খেয়ে ফেলে। এর ফলে ভুলবশত ভুনাখিচুড়ির বক্স সনাতন শিক্ষার্থীদের হাতে চলে যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি আরও ৫০টি মোরগ পোলাও আনিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করেন।

রিয়াসাল রাকিব আরও স্বীকার করেন যে, খাবারের বিষয়টি মাইকে ঘোষণা না করাটা ছিল একটি বড় ভুল। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য তিনি এবং উপস্থাপকরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও খাদ্যাভ্যাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা জরুরি। বিশেষ করে সংবর্ধনার মতো অনুষ্ঠানে আগে থেকেই খাদ্যসংক্রান্ত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া এবং পৃথক খাবারের ব্যবস্থা থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh