গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ
- আপডেট সময় : ১১:১৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

এলএনজি সংকটের প্রভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে গত তিন দিন ধরে জেলার সবকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড গত বুধবার বেলা ১১টার পর থেকে এই পাঁচটি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এর আগে থেকেই কোম্পানিটি গ্যাস সরবরাহ সীমিত করে দিয়েছিল, যার প্রভাব গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনুভূত হচ্ছিল। সাধারণত ১৫ পিএসআই চাপে গ্যাস সরবরাহের কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ৩ থেকে ৪ পিএসআই চাপে সরবরাহ করা হচ্ছিল, যা গত বুধবার থেকে আরও কমিয়ে এক পর্যায়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস না থাকায় জেলার সিএনজি অটোরিকশা চালকরা বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন, যার ফলে রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে। বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী মো. মেহেদী জানান, শহরের কুমারশীল মোড় থেকে নন্দনপুর বিসিক শিল্পনগরীতে যেতে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে এবং নিয়মিত ৪০ টাকার ভাড়া ৭০ টাকায় চুকিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। একইভাবে অটোরিকশা চালক জনি মিয়া জানান, গ্যাস না থাকায় তিনি যাত্রী প্রতি ভাড়া ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
ফাহাত ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্যাস সরবরাহ না থাকায় তাদের স্টেশনে যানবাহন সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আগামী রোববার বা সোমবার সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শফিকুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এলএনজি সংকটের কারণে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। কবে নাগাদ এই সংকট পুরোপুরি কাটবে সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছে না, তবে পরিস্থিতির উন্নতি হতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ২০: ০২আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ২০: ০৩
মো. মেহেদী নামে এক যাত্রী জানান, শহরের কুমারশীল মোড় থেকে নন্দনপুর বিসিক শিল্পনগরীতে যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে একটি সিএনজি অটোরিকশা পান। এ সময় তার কাছে ৮০ টাকা ভাড়া চাওয়া হয়। অথচ নিয়মিত ভাড়া ৪০ টাকা। পরে দরকষাকষি করে ৭০ টাকায় যেতে রাজি হন চালক।

























