ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

সাঈদী ছিলেন কোরআনের জনপ্রিয় দাঈ: মামুনুল হক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন কোরআনের একজন জনপ্রিয় দাঈ। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। মামুনুল হক উল্লেখ করেন, সাঈদীর কণ্ঠে কোরআনের তাফসির শুনে দেশের অসংখ্য মানুষ দ্বীনের পথে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তার ইন্তেকালে আমরা একজন আলেম ও দাঈকে হারিয়েছি, তবে তার দাওয়াত ও অবদান মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।

মাওলানা সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এই পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ‘১৪ আগস্ট, আজ থেকে তিন বছর আগে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ইন্তেকাল করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার জীবন, তার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ ফ্যাসিবাদী জুলুমের এক নির্মম দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

২০১৩ সালে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, সে সময়ের কথা স্মরণ করে মামুনুল হক লেখেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে সে সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ নিহত হন এবং অসংখ্য পরিবার তাদের প্রিয়জন হারান। তিনি বলেন, রক্তাক্ত সেই অধ্যায় আজও বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতিতে অম্লান।

২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কারাবন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ইন্তেকালের পরবর্তী ঘটনাবলি নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, তার ইন্তেকালের পরও জুলুমের সেই অধ্যায় শেষ হয়নি। ঢাকায় তার জানাজার আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং তার অসিয়ত অনুযায়ী দাফনের আকাঙ্ক্ষাও বাস্তবায়িত হতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরের সাঈদখালীতে দাফন করা হয়। একজন আলেমের জীবন ও মৃত্যুর পরও তার মর্যাদা ও শেষ ইচ্ছার প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সবশেষে মামুনুল হক বলেন, জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না। ক্ষমতার দম্ভ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দিয়ে সত্যকে চিরদিন আড়াল করে রাখা যায় না। ইতিহাস একদিন প্রত্যেক জুলুমের হিসাব নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৪৭আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৫৮

নিউজটি শেয়ার করুন

সাঈদী ছিলেন কোরআনের জনপ্রিয় দাঈ: মামুনুল হক

আপডেট সময় : ১১:১৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন কোরআনের একজন জনপ্রিয় দাঈ। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। মামুনুল হক উল্লেখ করেন, সাঈদীর কণ্ঠে কোরআনের তাফসির শুনে দেশের অসংখ্য মানুষ দ্বীনের পথে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তার ইন্তেকালে আমরা একজন আলেম ও দাঈকে হারিয়েছি, তবে তার দাওয়াত ও অবদান মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।

মাওলানা সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এই পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ‘১৪ আগস্ট, আজ থেকে তিন বছর আগে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ইন্তেকাল করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার জীবন, তার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ ফ্যাসিবাদী জুলুমের এক নির্মম দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

২০১৩ সালে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, সে সময়ের কথা স্মরণ করে মামুনুল হক লেখেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে সে সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ নিহত হন এবং অসংখ্য পরিবার তাদের প্রিয়জন হারান। তিনি বলেন, রক্তাক্ত সেই অধ্যায় আজও বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতিতে অম্লান।

২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কারাবন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ইন্তেকালের পরবর্তী ঘটনাবলি নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, তার ইন্তেকালের পরও জুলুমের সেই অধ্যায় শেষ হয়নি। ঢাকায় তার জানাজার আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং তার অসিয়ত অনুযায়ী দাফনের আকাঙ্ক্ষাও বাস্তবায়িত হতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরের সাঈদখালীতে দাফন করা হয়। একজন আলেমের জীবন ও মৃত্যুর পরও তার মর্যাদা ও শেষ ইচ্ছার প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সবশেষে মামুনুল হক বলেন, জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না। ক্ষমতার দম্ভ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দিয়ে সত্যকে চিরদিন আড়াল করে রাখা যায় না। ইতিহাস একদিন প্রত্যেক জুলুমের হিসাব নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৪৭আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৫৮