টেকসই গণতন্ত্রে ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও চর্চা জরুরি: ফখরুল

- আপডেট সময় : ০৩:২৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচননির্ভর কোনো ব্যবস্থা নয়, বরং এটি একটি সংস্কৃতি। রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহনশীলতা বজায় রাখা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও জোরদার করতে হবে।
গণতন্ত্র শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। টেকসই গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে নয়, গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—সবার সম্মিলিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমেই একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী না হলে গণতন্ত্র শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে না। এ সময় তিনি গণমাধ্যমের দায়িত্ব সম্পর্কে বলেন, সত্য প্রকাশই গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সাংবাদিকদের কোনো ধরনের সেল্ফ সেন্সরশিপের ঊর্ধ্বে থেকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্র টেকসই করতে হলে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়লে গণমাধ্যম আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম জনগণের আস্থা অর্জন করবে এবং গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



























