ছাত্রদলের নেতৃত্ব নিয়ে ভাবছেন জিসান, লক্ষ্য প্রযুক্তিনির্ভর সংগঠন
- আপডেট সময় : ০৪:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

মমিনুল ইসলাম জিসান দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজপথ, কারাগার এবং ক্যাম্পাসের আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জিসান জানান, গত ১৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনে তিনি সব ধরনের গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকে একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে রাজনীতি করেন। তার রাজনৈতিক পথচলা ছিল ত্যাগ ও সংগ্রামের; এই সময়ে তিনি ৬ বার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং প্রায় দুই বছর কারাবন্দি ছিলেন।
২০০৪ সালে ওয়ার্ড ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে তার হাতেখড়ি হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর তৎকালীন ছাত্রদল নেতাদের সাথে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন। ২০১৫ সালে বিএনপি’র ৯৩ দিনের টানা কর্মসূচিতে তিনি ৩ বার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এছাড়াও ছাত্রলীগের হাতে তিনি ১৭ বার হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে তাকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, এরপর দীর্ঘ সময় তিনি হলে ফিরতে পারেননি। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর তিনি পুনরায় হলে প্রবেশের সুযোগ পান।
২০১৬ সালে এ. এফ. রহমান হল ছাত্রদলের সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়ে তিনি ইউনিটটিকে অত্যন্ত গতিশীল করে তোলেন। ২০২৩ সালের ১৭ই আগস্ট ডামি নির্বাচনের আগে তাকে ডিবি পুলিশ গুম করেছিল। তিন দিন গুম থাকার পর মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয় এবং প্রায় ৮ মাস বন্দি থাকার পর ২০২৪ সালের ৭ই জুন মুক্তি পান তিনি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
ভবিষ্যতে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসার প্রত্যাশা নিয়ে জিসান সংগঠনকে প্রযুক্তিনির্ভর, আদর্শভিত্তিক এবং দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির প্ল্যাটফরমে রূপান্তর করতে চান। তিনি বলেন, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত বিএনপি’র যে কোনো নেতাকর্মী সংকটে তাকে ডাকলে পাশে পাবেন।




























