ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর যেকোনো উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যেখানে দেশের সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত হয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেখানে সংসদ সদস্যদের নিজেদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এ ধরনের উদ্যোগ না নেওয়ার জন্য সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তারা এর স্পষ্ট বিরোধিতা করবেন।

বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিট সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, তারা জনগণের প্রয়োজনে ও সেবার উদ্দেশ্যে সংসদে গেছেন, বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করতে যাননি। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে অংশীদার হতে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছেন। পরবর্তীতে সরকারি দলও একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তিনি তাদের অভিনন্দন জানান। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তারা সংসদকে জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রে পরিণত করতে চান। শাসক নয়, বরং সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদে বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো বিষয়ে তারা বারবার নোটিশ দিলেও তা আলোচনার জন্য নেওয়া হচ্ছে না। তবে একটি অধিবেশনে তেলের সংকট নিয়ে তাদের নোটিশের পর সরকারি ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সদস্য নিয়ে গঠিত ১০ সদস্যের কমিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ওই কমিটির কারণে জনগণের মধ্য থেকে আতঙ্ক দূর হয়েছিল।

দেশের শিল্প খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, উৎপাদন কমে গেলে মালিকরা সংকটে পড়বেন এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হবে। এতে শুধু শ্রমিকরাই নয়, তাদের পুরো পরিবার অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি মন্তব্য করেন, একজন ব্যক্তি বিপদে পড়া মানে তার সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও খাদ্যসহ পুরো পরিবারই সংকটে পড়া। এ ধরনের বাস্তব সত্যগুলো গণমাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরা না হলে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়।

জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ নিয়ে সমালোচনার জবাবে দলটির আমির বলেন, তাদের কর্মসূচিগুলো সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ছিল। কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে কেউ যদি ককটেল বিস্ফোরণ বা বাসে আগুন দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে থাকে, তবে তার দায় সম্পূর্ণ তাদেরই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো পাগলও কি নিজের সফল কর্মসূচির আগের দিন বাসে আগুন দিয়ে ঢাকা অস্থির করবে? এছাড়া অতি সম্প্রতি প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর প্রভাব শুধু গাড়িচালকদের ওপর নয়, বরং পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সামগ্রিক বাজারদরের ওপর সরাসরি পড়েছে। চাকরিজীবী বাইক চালক থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা—সবাই এর ভুক্তভোগী।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ করতে হবে। অনেক সময় সাক্ষাৎকারের বক্তব্য কাটছাঁট করে 'ফটোকার্ড' বা 'কাটপিস' বানিয়ে প্রচার করা হয়, যাতে কোনো মাথা-মুণ্ডু থাকে না এবং মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তিনি সাংবাদিকদের ওপর কোনো অন্যায় আচরণ করা হলে তা নিজেদের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে রাজনৈতিক দলগুলো এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়। তিনি গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের 'চতুর্থ স্তম্ভ' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি ঠিক থাকলে সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মতো সাংবিধানিক স্তম্ভগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত থাকে। সাংবাদিকদের বেতন-বোনাস ও অধিকারের বিষয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে কথা বলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তাদের সমস্যাগুলো সংগঠনের মাধ্যমে লিখিতভাবে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

নিজের বিদেশ সফর এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন দেশে গেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করেননি, যাতে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ না পড়ে। এছাড়া তাকে দেওয়া সরকারি বাসভবনটি স্থায়ী নয়, বরং দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনি বিদেশি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা'ছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম khan মিলন, মোবারাক হোসাইন, মোয়াযম হোসাইন হেলাল এবং সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৩:২২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর যেকোনো উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, যেখানে দেশের সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত হয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেখানে সংসদ সদস্যদের নিজেদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এ ধরনের উদ্যোগ না নেওয়ার জন্য সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তারা এর স্পষ্ট বিরোধিতা করবেন।

বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিট সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, তারা জনগণের প্রয়োজনে ও সেবার উদ্দেশ্যে সংসদে গেছেন, বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করতে যাননি। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে অংশীদার হতে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছেন। পরবর্তীতে সরকারি দলও একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তিনি তাদের অভিনন্দন জানান। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তারা সংসদকে জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রে পরিণত করতে চান। শাসক নয়, বরং সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদে বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো বিষয়ে তারা বারবার নোটিশ দিলেও তা আলোচনার জন্য নেওয়া হচ্ছে না। তবে একটি অধিবেশনে তেলের সংকট নিয়ে তাদের নোটিশের পর সরকারি ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সদস্য নিয়ে গঠিত ১০ সদস্যের কমিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ওই কমিটির কারণে জনগণের মধ্য থেকে আতঙ্ক দূর হয়েছিল।

দেশের শিল্প খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, উৎপাদন কমে গেলে মালিকরা সংকটে পড়বেন এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হবে। এতে শুধু শ্রমিকরাই নয়, তাদের পুরো পরিবার অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি মন্তব্য করেন, একজন ব্যক্তি বিপদে পড়া মানে তার সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও খাদ্যসহ পুরো পরিবারই সংকটে পড়া। এ ধরনের বাস্তব সত্যগুলো গণমাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরা না হলে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়।

জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ নিয়ে সমালোচনার জবাবে দলটির আমির বলেন, তাদের কর্মসূচিগুলো সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ছিল। কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে কেউ যদি ককটেল বিস্ফোরণ বা বাসে আগুন দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে থাকে, তবে তার দায় সম্পূর্ণ তাদেরই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো পাগলও কি নিজের সফল কর্মসূচির আগের দিন বাসে আগুন দিয়ে ঢাকা অস্থির করবে? এছাড়া অতি সম্প্রতি প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর প্রভাব শুধু গাড়িচালকদের ওপর নয়, বরং পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সামগ্রিক বাজারদরের ওপর সরাসরি পড়েছে। চাকরিজীবী বাইক চালক থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা—সবাই এর ভুক্তভোগী।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশ করতে হবে। অনেক সময় সাক্ষাৎকারের বক্তব্য কাটছাঁট করে 'ফটোকার্ড' বা 'কাটপিস' বানিয়ে প্রচার করা হয়, যাতে কোনো মাথা-মুণ্ডু থাকে না এবং মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তিনি সাংবাদিকদের ওপর কোনো অন্যায় আচরণ করা হলে তা নিজেদের মাধ্যমে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে রাজনৈতিক দলগুলো এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়। তিনি গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের 'চতুর্থ স্তম্ভ' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি ঠিক থাকলে সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মতো সাংবিধানিক স্তম্ভগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত থাকে। সাংবাদিকদের বেতন-বোনাস ও অধিকারের বিষয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে কথা বলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তাদের সমস্যাগুলো সংগঠনের মাধ্যমে লিখিতভাবে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

নিজের বিদেশ সফর এবং সরকারি বাসভবন ব্যবহারের বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন দেশে গেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করেননি, যাতে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ না পড়ে। এছাড়া তাকে দেওয়া সরকারি বাসভবনটি স্থায়ী নয়, বরং দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনি বিদেশি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলটির নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা'ছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম khan মিলন, মোবারাক হোসাইন, মোয়াযম হোসাইন হেলাল এবং সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin