ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ

বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর বারিধারায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ফুটপাতে বসে থাকা এক নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় অবশেষে কিশোর চালক আজান আলী শরীফকে (১৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তাকে আটক করা হলেও পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছিল এবং দায়ের করা মামলায় তার নামও ছিল না। বুধবার বিকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকালে বারিধারার ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান। এ সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা চালকের আসনে থাকা কিশোর আজান আলী শরীফকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেয়। পুলিশের দাবি ছিল, ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাকে রক্ষা করতেই হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। গুলশান থানা পুলিশের তথ্যমতে, আজান আলী শরীফ ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী এবং তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন আব্বাস আলী শরীফ। গাড়িটি তার মা সিগমা বেগমের নামে নিবন্ধিত।

এদিকে নিহত মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদির ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করলেও সেখানে প্রকৃত চালক আজানের নাম ছিল না। মামলায় আকাশ মারক নামের ৪৪ বছর বয়সী অন্য একজনকে চালক হিসেবে আসামি করা হয়, যিনি ঘটনার পর থেকেই পলাতক বলে উল্লেখ করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার সময় চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা ওই কিশোর নেমে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে পুলিশ বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন জানান, নিহতের ভাই আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করায় প্রথমে ওই কিশোরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, কিন্তু গাড়ি জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়েছে। তবে মামলার বিষয়ে নিহত মেহেদীর ভাইয়ের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। নিহত মেহেদী নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বারিধারায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ফুটপাতে বসে থাকা এক নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় অবশেষে কিশোর চালক আজান আলী শরীফকে (১৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তাকে আটক করা হলেও পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছিল এবং দায়ের করা মামলায় তার নামও ছিল না। বুধবার বিকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকালে বারিধারার ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান। এ সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা চালকের আসনে থাকা কিশোর আজান আলী শরীফকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেয়। পুলিশের দাবি ছিল, ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাকে রক্ষা করতেই হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। গুলশান থানা পুলিশের তথ্যমতে, আজান আলী শরীফ ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী এবং তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন আব্বাস আলী শরীফ। গাড়িটি তার মা সিগমা বেগমের নামে নিবন্ধিত।

এদিকে নিহত মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদির ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করলেও সেখানে প্রকৃত চালক আজানের নাম ছিল না। মামলায় আকাশ মারক নামের ৪৪ বছর বয়সী অন্য একজনকে চালক হিসেবে আসামি করা হয়, যিনি ঘটনার পর থেকেই পলাতক বলে উল্লেখ করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার সময় চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা ওই কিশোর নেমে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে পুলিশ বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন জানান, নিহতের ভাই আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করায় প্রথমে ওই কিশোরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল, কিন্তু গাড়ি জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়েছে। তবে মামলার বিষয়ে নিহত মেহেদীর ভাইয়ের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। নিহত মেহেদী নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin