মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ
- আপডেট সময় : ১১:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ত্রিপাক্ষিক মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত এই জোটের সাধারণ সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে কাজ করবেন।
উল্লেখ্য যে, নোমান মাহমুদ ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে ২০২৩ সালে অবসরে যান। এই জোটটি মুসলিম বিশ্বের তিনটি প্রভাবশালী সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি—সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত একটি নিরাপত্তা কাঠামো। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই তুরস্ককে যুক্ত করে এই জোট গঠন করা হয়।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যৌথভাবে এই ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছিলেন। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে তৈরি এই চুক্তির একটি মূল ধারা হলো, স্বাক্ষরকারী কোনো একটি দেশের ওপর সামরিক হামলা হলে তা জোটের সব সদস্যদেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান, যৌথ সামরিক মহড়া, ড্রোন প্রযুক্তির বিনিময় এবং যৌথভাবে আধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পশ্চিমা শক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই সৌদি আরব এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে অতীতে সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার সময় তুরস্ক ও পাকিস্তানকে কেবল নিন্দা জানাতেই দেখা গেছে।




























