মাঠের অসদাচরণে কয়েক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

- আপডেট সময় : ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

কোপা দো ব্রাজিলে রেমোর বিপক্ষে ম্যাচের পর এক উত্তেজনাকর ঘটনার জেরে শাস্তির মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ম্যাচ-পরবর্তী হাতাহাতি ও বিশৃঙ্খলার বিষয়টি তদন্ত করছে ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সান্তোসের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে কয়েক ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।
ইএসপিএন ব্রাজিলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রসিকিউটররা নেইমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। এই ঘটনায় কেবল নেইমারই নন, আরও কয়েকজন খেলোয়াড় এবং প্রতিপক্ষ রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়া বিচারবিধির ২৫৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী যদি অভিযোগ গঠন করা হয়, তবে নেইমারকে সর্বনিম্ন ১ থেকে সর্বোচ্চ ৬ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে। মূলত ম্যাচটি শুরু হওয়ার আগে থেকেই মাঠের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল। ওয়ার্মআপের সময় স্বাগতিক রেমোর সমর্থকরা গ্যালারি থেকে নেইমারকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে বিদ্রূপ করতে থাকেন। তবে ম্যাচে সান্তোস ১-০ গোলে জয়লাভ করে, যেখানে দলের একমাত্র গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন নেইমার নিজেই।
ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারির দর্শকদের দিকে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে প্রতিক্রিয়া জানান এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে আসল বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ড্রেসিংরুমের টানেলে। অভিযোগ উঠেছে, টানেলে যাওয়ার পর রেমোর খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্য করে নেইমার উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। তিনি প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে ‘বাদ পড়ে গেলে, বাদ পড়ে গেলে’ বলে উপহাস করেন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আগেই সান্তোসের কর্মকর্তারা দ্রুত নেইমারকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যান।
এদিকে ম্যাচ চলাকালে এবং ম্যাচ শেষে দর্শকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সম্ভাব্য শাস্তির অংশ হিসেবে ক্লাবটিকে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা, দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ আয়োজন কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজেদের মাঠে খেলার অধিকার হারানোর মতো খড়গের মুখে পড়তে হতে পারে। ক্রীড়া আদালতের চূড়ান্ত তদন্ত ও প্রসিকিউটরদের সিদ্ধান্তের ওপরই এখন নির্ভর করছে নেইমার ও রেমো ক্লাবের ভবিষ্যৎ।




























