ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থবছরের শুরুতেই তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক ধাক্কা স্বৈরশাসকদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে উঠছে ইসরাইল: নজরদারি প্রযুক্তি ও কূটনীতি ফরিদপুরে ইজিবাইক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচারে কড়া হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের কেরানীগঞ্জে রাসায়নিক কারখানার আড়ালে ইয়াবা উৎপাদন, মালিক গ্রেপ্তার উত্তরখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর হামলা: কর্নেল জাকিরসহ ২২ জনের জামিন ভারতকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধের অনুরোধ বাংলাদেশের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৭ জন বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে বড় ধাক্কা প্রশান্ত কিশোরের ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, অনশনে ছাত্রনেতা

ভারতকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধের অনুরোধ বাংলাদেশের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ভারতের মাটিতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সেই অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালে তিনি দুই দফা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণকারী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রসংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি ওই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান। এরপর তিনি ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ড থেকে তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু করেন এবং ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী শেখ হাসিনা ১৯৯১ সালের সংসদীয় নির্বাচনে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন। তিনি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন করে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য দলগুলোকে সংগঠিত করেন। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবন্দী ও গৃহবন্দী হয়েছেন। ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকার তাঁকে ১৫ দিন অন্তরীণ রাখে। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও নভেম্বর মাসে তাঁকে দুবার গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৮৫ সালের ২ মার্চ আটক করে প্রায় তিন মাস গৃহবন্দী রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ দিন এবং ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর গ্রেপ্তার করে এক মাস অন্তরীণ রাখা হয়। ১৯৮৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হয়ে গৃহবন্দী হন এবং ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তাঁকে বঙ্গবন্ধু ভবনে অন্তরীণ করা হয়। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাবন্দী হয়ে তিনি মুক্তি পান ১১ জুন। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। শেখ হাসিনা নিজেও কানে আঘাত পান।

শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইউনেসকোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ব্রিটেনের গ্লোবাল ডাইভার্সিটি পুরস্কার, দুবার সাউথ সাউথ পুরস্কার, ইউনেসকোর ‘শান্তির বৃক্ষ’, উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরামের রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কার, গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কার, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা সনদ, ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ এবং আইটিইউ-এর আইসিটিএস ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৫ পেয়েছেন।

তিনি ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, ‘ওরা টোকাই কেন?’, ‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’, ‘দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা’, ‘আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম’, ‘আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি’, ‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’, ‘সাদা কালো, সবুজ মাঠ পেরিয়ে’, ‘Miles to Go, The Quest for Vision-2021’সহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। তাঁদের ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ একজন তথ্য প্রযুক্তিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন এবং মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদ একজন মনোবিজ্ঞানী। শেখ হাসিনার নাতি-নাতনির সংখ্যা সাত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেসকো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।

এ ছাড়া টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য International Telecommunication Union (ITU) শেখ হাসিনাকে ICTs in Sustainable Development Award-2015 প্রদান করে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধের অনুরোধ বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ১০:০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
print news

ভারতের মাটিতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সেই অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালে তিনি দুই দফা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণকারী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রসংসদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি ওই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সব গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান। এরপর তিনি ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ড থেকে তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু করেন এবং ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী শেখ হাসিনা ১৯৯১ সালের সংসদীয় নির্বাচনে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন। তিনি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন করে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য দলগুলোকে সংগঠিত করেন। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবন্দী ও গৃহবন্দী হয়েছেন। ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকার তাঁকে ১৫ দিন অন্তরীণ রাখে। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও নভেম্বর মাসে তাঁকে দুবার গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৮৫ সালের ২ মার্চ আটক করে প্রায় তিন মাস গৃহবন্দী রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ দিন এবং ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর গ্রেপ্তার করে এক মাস অন্তরীণ রাখা হয়। ১৯৮৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হয়ে গৃহবন্দী হন এবং ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তাঁকে বঙ্গবন্ধু ভবনে অন্তরীণ করা হয়। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাবন্দী হয়ে তিনি মুক্তি পান ১১ জুন। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। শেখ হাসিনা নিজেও কানে আঘাত পান।

শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইউনেসকোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ব্রিটেনের গ্লোবাল ডাইভার্সিটি পুরস্কার, দুবার সাউথ সাউথ পুরস্কার, ইউনেসকোর ‘শান্তির বৃক্ষ’, উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরামের রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কার, গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কার, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মাননা সনদ, ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ এবং আইটিইউ-এর আইসিটিএস ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৫ পেয়েছেন।

তিনি ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, ‘ওরা টোকাই কেন?’, ‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’, ‘দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা’, ‘আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম’, ‘আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি’, ‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’, ‘সাদা কালো, সবুজ মাঠ পেরিয়ে’, ‘Miles to Go, The Quest for Vision-2021’সহ বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। তাঁদের ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ একজন তথ্য প্রযুক্তিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ছিলেন এবং মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদ একজন মনোবিজ্ঞানী। শেখ হাসিনার নাতি-নাতনির সংখ্যা সাত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেসকো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।

এ ছাড়া টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য International Telecommunication Union (ITU) শেখ হাসিনাকে ICTs in Sustainable Development Award-2015 প্রদান করে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo