ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, অনশনে ছাত্রনেতা

- আপডেট সময় : ০৯:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের জেরে নতুন করে উত্তাল হয়ে উঠেছে ছাত্র আন্দোলন। চাকরিপ্রার্থীরা চতুর্দশ রাজ্য সরকারি কর্ম কমিশনের (জেপিএসসি) প্রাথমিক পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সামগ্রিক নিয়োগ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানী রাঁচির জয়পাল সিং মুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র নাথ মাহাতো।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জেপিএসসি এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের (জেএসএসসি) মাধ্যমে পরিচালিত পরীক্ষাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতি চলছে, যার ফলে হাজার হাজার যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রাজ্য সরকার সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই জেপিএসসি চেয়ারম্যান এল খিয়াংতে পদত্যাগ করেন। তবে আন্দোলনকারীদের মূল দাবি হলো এই মামলার তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে পরিচালনা করা।
গতকাল রোববার রাঁচির আলবার্ট এক্কা চকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী মশাল মিছিল বের করে তাদের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। অনশনরত দেবেন্দ্র নাথ মাহাতো জানান, গত মাসে ১৪তম প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। তিনি বলেন, গত ৫ জুলাই থেকে আন্দোলন শুরু হলেও সরকার ও কমিশন শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কোনো সুরাহা করতে পারেনি। মাহাতো আরও জানান, গত ২০ জুলাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রমাণ জমা দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা। তিনি বলেন, 'আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ১৪তম পিটি পরীক্ষা বাতিল করা এবং টিডিপিএল সংস্থা থেকে পরিচালিত সব পরীক্ষার তদন্ত নিশ্চিত করা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমি অনশন চালিয়ে যাব।'
এদিকে, এই আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনকারী নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে তাদের দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, ‘ঠিক এক মাস আগে, অর্থাৎ গত মাসের ২ তারিখে ১৪তম প্রিলিমিনারি টেস্টের (পিটি) ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়েই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল।
আমরা ৫ জুলাই এই আন্দোলন শুরু করি, ৭ জুলাই রাজ্য সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং ৮ জুলাই কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানাই।



























