অর্থবছরের শুরুতেই তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক ধাক্কা
- আপডেট সময় : ১১:০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। জুলাই মাসে এই খাত থেকে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। এর আগের বছরের একই মাসে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৯৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় প্রায় ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার হ্রাস পেয়েছে।
পোশাক খাতের প্রধান দুই উপখাত নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ক্ষেত্রেই রপ্তানি কমেছে। তবে ওভেন গার্মেন্টস খাতের পারফরম্যান্স তুলনামূলক দুর্বল থাকায় সামগ্রিক রপ্তানি আয়ের ওপর বড় প্রভাব পড়েছে। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার, যা আগের বছরের ২১৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার থেকে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৭২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরের ১৭৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কম।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৫৬ শতাংশ নিটওয়্যার খাত থেকে এবং প্রায় ৪৪ শতাংশ ওভেন পোশাক খাত থেকে আসছে। ওভেন খাতের এই দুর্বলতা সামগ্রিক পোশাক রপ্তানিকে নিম্নমুখী করেছে।
তবে শিল্পসংশ্লিষ্টরা এখনো আশাবাদী। তাদের মতে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বড়দিন ও বসন্তকালীন মৌসুমের অর্ডার বাড়তে শুরু করলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে। এই লক্ষ্য অর্জনে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখা, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অংশ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।


























