ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটির পরিকল্পনা সরকারের কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ নেগেটিভ বিষয় দর্শক বেশি দেখে: অপু বিশ্বাস ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ স্মৃতির অপেক্ষায় আজও প্রহর গুনছি চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস ও ভূমিধসের শঙ্কা আগারগাঁওয়ে ভাইরাল মিজানের হোটেল আবারও উচ্ছেদ, সরানো হলো রান্নার সরঞ্জাম রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা

সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে বিভাগভিত্তিক লংমার্চের পরিকল্পনা ১১-দলীয় ঐক্যের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবার বিভাগভিত্তিক লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে ২৯ বা ৩০ আগস্ট থেকে এই কর্মসূচি শুরুর একটি প্রস্তাব এসেছে। সোমবার সন্ধ্যায় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা ও আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

জোটের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। লংমার্চের পাশাপাশি পথসভা, জনসভা, রাজধানীতে মহাসমাবেশ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের নিয়ে ধারাবাহিক সেমিনার ও আলোচনা সভার প্রস্তাবও রয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে জোটটি ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই তাদের বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি শেষ হয়।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ঢাকা থেকে খুলনা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে লংমার্চ করার কথা ভাবা হচ্ছে। লংমার্চের পথে একাধিক পথসভা ও জনসভার মাধ্যমে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে দ্বিতীয় ধাপে একই কর্মসূচি পালন করা হতে পারে। জোটের নেতারা জানিয়েছেন, লংমার্চের কর্মসূচি চূড়ান্ত হলে অক্টোবরে নির্ধারিত মহাসমাবেশ নভেম্বরে পিছিয়ে যেতে পারে।

১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, ধারাবাহিক কর্মসূচিগুলোতে মানুষের সাড়া মিললেও সরকার দাবিগুলো বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নেয়নি, তাই আন্দোলনের নতুন ধাপ নিয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন বলেন, লিয়াজোঁ কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এবং ৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টনের সমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

জোটের নেতাদের ভাষ্যমতে, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নই তাদের মূল দাবি। তবে আন্দোলনের কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, লোডশেডিং, গ্যাস-সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও কর্মসংস্থানের মতো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে। তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলন হলেও তারা কোনো সহিংস কর্মসূচি বা হরতালের দিকে যাবে না; বরং শান্তিপূর্ণ গণ-আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক সক্রিয়তা ধরে রাখাও তাদের কৌশলের অন্যতম অংশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে বিভাগভিত্তিক লংমার্চের পরিকল্পনা ১১-দলীয় ঐক্যের

আপডেট সময় : ১১:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবার বিভাগভিত্তিক লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে ২৯ বা ৩০ আগস্ট থেকে এই কর্মসূচি শুরুর একটি প্রস্তাব এসেছে। সোমবার সন্ধ্যায় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা ও আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

জোটের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। লংমার্চের পাশাপাশি পথসভা, জনসভা, রাজধানীতে মহাসমাবেশ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের নিয়ে ধারাবাহিক সেমিনার ও আলোচনা সভার প্রস্তাবও রয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে জোটটি ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই তাদের বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি শেষ হয়।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ঢাকা থেকে খুলনা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে লংমার্চ করার কথা ভাবা হচ্ছে। লংমার্চের পথে একাধিক পথসভা ও জনসভার মাধ্যমে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে দ্বিতীয় ধাপে একই কর্মসূচি পালন করা হতে পারে। জোটের নেতারা জানিয়েছেন, লংমার্চের কর্মসূচি চূড়ান্ত হলে অক্টোবরে নির্ধারিত মহাসমাবেশ নভেম্বরে পিছিয়ে যেতে পারে।

১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, ধারাবাহিক কর্মসূচিগুলোতে মানুষের সাড়া মিললেও সরকার দাবিগুলো বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নেয়নি, তাই আন্দোলনের নতুন ধাপ নিয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন বলেন, লিয়াজোঁ কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে এবং ৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টনের সমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

জোটের নেতাদের ভাষ্যমতে, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নই তাদের মূল দাবি। তবে আন্দোলনের কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, লোডশেডিং, গ্যাস-সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও কর্মসংস্থানের মতো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে। তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলন হলেও তারা কোনো সহিংস কর্মসূচি বা হরতালের দিকে যাবে না; বরং শান্তিপূর্ণ গণ-আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক সক্রিয়তা ধরে রাখাও তাদের কৌশলের অন্যতম অংশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo