ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাঠে অদ্ভূতকাণ্ড: প্রতিপক্ষের চুল ধরে টানায় ২ লাল কার্ড এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা কমায়: রাষ্ট্রপতি উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেশের চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটির পরিকল্পনা সরকারের কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ নেগেটিভ বিষয় দর্শক বেশি দেখে: অপু বিশ্বাস ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকার একটি ফাস্টফুড রেস্টুরেন্ট ‘ম্যাক টেস্ট শপ’-এর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে বোতলজাত পানির নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞার সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। পরে অবশ্য অতিরিক্ত রাখা টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সোমবার বিকেলে পুলিশ লাইন্সে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে ওসি আবুল কালাম ভূঞা এবং জেলার কয়েকজন সাংবাদিক নাস্তা করার জন্য ম্যাক টেস্ট শপে যান। খাবার শেষে বিল পরিশোধের সময় পানির বোতলের দাম নিয়ে অসংগতি ওসির নজরে আসে। ওসি জানান, তিনি দুই লিটার পানির বোতলের দাম পরিশোধের জন্য ম্যানেজারকে ১০০ টাকার নোট দিলে তাকে মাত্র ৪০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। বিলের হিসাব জানতে চাইলে কর্মী দাবি করেন যে দুই লিটার পানির মূল্য ৬০ টাকা। অথচ বোতলের গায়ে লেখা মূল্য ছিল ৪০ টাকা।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওসি আবুল কালাম ভূঞা বলেন, রেস্টুরেন্টটির সেবার মান অত্যন্ত বাজে এবং তারা সরাসরি পানির দাম ২০ টাকা বেশি রেখেছে। ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ন করা ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এদিকে, ম্যাক টেস্ট শপের সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ এই ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে দাবি করেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জ শহরে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় সাতটি আউটলেট রয়েছে এবং গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরাফাত নামের এক স্থানীয় গ্রাহক জানান, রেস্টুরেন্টটির কর্মীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতই অসংবেদনশীল ও বাজে আচরণের অভিযোগ ওঠে। ফয়সাল নামে আরেক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি ভদ্র বা সামর্থ্যবান গ্রাহক দেখলে সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত বিল তৈরি করে। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এমএম খান (ম্যাক) প্রতিষ্ঠানটিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ

আপডেট সময় : ০১:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকার একটি ফাস্টফুড রেস্টুরেন্ট ‘ম্যাক টেস্ট শপ’-এর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে বোতলজাত পানির নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞার সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। পরে অবশ্য অতিরিক্ত রাখা টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সোমবার বিকেলে পুলিশ লাইন্সে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে ওসি আবুল কালাম ভূঞা এবং জেলার কয়েকজন সাংবাদিক নাস্তা করার জন্য ম্যাক টেস্ট শপে যান। খাবার শেষে বিল পরিশোধের সময় পানির বোতলের দাম নিয়ে অসংগতি ওসির নজরে আসে। ওসি জানান, তিনি দুই লিটার পানির বোতলের দাম পরিশোধের জন্য ম্যানেজারকে ১০০ টাকার নোট দিলে তাকে মাত্র ৪০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। বিলের হিসাব জানতে চাইলে কর্মী দাবি করেন যে দুই লিটার পানির মূল্য ৬০ টাকা। অথচ বোতলের গায়ে লেখা মূল্য ছিল ৪০ টাকা।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওসি আবুল কালাম ভূঞা বলেন, রেস্টুরেন্টটির সেবার মান অত্যন্ত বাজে এবং তারা সরাসরি পানির দাম ২০ টাকা বেশি রেখেছে। ভোক্তা অধিকার ক্ষুণ্ন করা ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এদিকে, ম্যাক টেস্ট শপের সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ এই ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে দাবি করেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জ শহরে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় সাতটি আউটলেট রয়েছে এবং গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরাফাত নামের এক স্থানীয় গ্রাহক জানান, রেস্টুরেন্টটির কর্মীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতই অসংবেদনশীল ও বাজে আচরণের অভিযোগ ওঠে। ফয়সাল নামে আরেক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি ভদ্র বা সামর্থ্যবান গ্রাহক দেখলে সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত বিল তৈরি করে। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এমএম খান (ম্যাক) প্রতিষ্ঠানটিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh