ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রীর সই-সিল জাল করে তদবির, মোংলায় যুবক গ্রেপ্তার উত্তরখানে সংঘর্ষ: ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইতে ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্মরণে মাভাবিপ্রবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি এসএসসির ফল প্রকাশে বিলম্ব: শিক্ষার্থীদের বাড়ছে উদ্বেগ ও আত্মহত্যার ঝুঁকি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল বিএনপি দেশজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ শুরু করল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফরাসি ডাগআউটে জিদান, প্রথম ম্যাচের টিকিট শেষ ২৪ ঘণ্টার কম সময়ে হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা: বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়ার বড় শঙ্কা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন কেন হলো: নেপথ্যের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল বিএনপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের বাধ্যবাধকতার আগেই চলতি কিংবা আগামী মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী এই স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যাতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে প্রেসিডেন্ট পদে দলের প্রার্থী মনোনয়নের পূর্ণ ক্ষমতা তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেননি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের একজন সিনিয়র নেতাকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত করার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। দলের বাইরে থেকে কাউকে প্রেসিডেন্ট করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে সূত্রটি জানিয়েছে, একজন রাজনীতিবিদই দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক এখতিয়ার অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই হবে। একক প্রার্থী থাকলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না, তবে একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করে ভোট গ্রহণের নিয়ম রয়েছে। তবে জাতীয় সংসদের একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত বুথে ভোট দেবেন, এর জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন নেই।

নির্বাচন কমিশন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্পিকারের কাছ থেকে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের ভোটার তালিকা সংগ্রহ করবেন এবং ৭ দিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করবেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, সংবিধানের ৯০ দিনের সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৪শে জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল বিএনপি

আপডেট সময় : ০১:২২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
print news

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের বাধ্যবাধকতার আগেই চলতি কিংবা আগামী মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী এই স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যাতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে প্রেসিডেন্ট পদে দলের প্রার্থী মনোনয়নের পূর্ণ ক্ষমতা তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেননি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের একজন সিনিয়র নেতাকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত করার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। দলের বাইরে থেকে কাউকে প্রেসিডেন্ট করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে সূত্রটি জানিয়েছে, একজন রাজনীতিবিদই দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক এখতিয়ার অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করলে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই হবে। একক প্রার্থী থাকলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না, তবে একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করে ভোট গ্রহণের নিয়ম রয়েছে। তবে জাতীয় সংসদের একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত বুথে ভোট দেবেন, এর জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন নেই।

নির্বাচন কমিশন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্পিকারের কাছ থেকে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের ভোটার তালিকা সংগ্রহ করবেন এবং ৭ দিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করবেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, সংবিধানের ৯০ দিনের সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৪শে জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin