প্রবীণদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:১৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির ফলে প্রবীণদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরির পাশাপাশি তাদের দীর্ঘ ও সম্মানজনক জীবনযাপনের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, একটি মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সরকার প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি উপকারভোগীর সংখ্যাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সরকারপ্রধান প্রবীণদের সমাজ ও পরিবারের ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আজকের বাংলাদেশ তাদের ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তাই রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার—এই তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান ও দায়িত্বশীলতার চর্চা থাকা আবশ্যক। প্রবীণদের অবহেলা না করে তাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার প্রবীণদের স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তবে রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টার পাশাপাশি আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই প্রবীণদের সম্মান ও মর্যাদা সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত থাকে। পরিশেষে, ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬ এর সাফল্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের লক্ষ্য এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে বয়সে তরুণ কিংবা প্রবীণ প্রতিটি মানুষই নিজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদার সাথে জীবনযাপন করতে পারবে।




























