১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা
- আপডেট সময় : ০৫:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে আগামী ১০ই অক্টোবর দেশব্যাপী এক বিশাল গণ-সমাবেশের ডাক দিয়েছে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)। 'যন্তর মন্তর ২.০' নামের এই অভিযানের মূল দাবি হলো জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল করা। তবে এই আন্দোলনের প্রাক্কালে দলটির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
সিজেপি-র সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) আশঙ্কা প্রকাশ করে লিখেছেন, সরকার তাকেসহ দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রঙ্কা, রত্না সিং এবং অন্যান্য নেতাদের গ্রেপ্তারের ছক কষছে। তবে এই হুমকিতে তারা ভীত নন জানিয়ে সৌরভ বলেন, "সরকার যদি মনে করে যে, এ ধরনের স্বৈরাচারী পদক্ষেপ কাজে আসবে, তবে তারা ভুল করছে!" তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যতের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জেলে যেতে বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে সৌরভ দাস বলেন, দেশের ক্ষতিসাধনকারীদেরই আসলে ভীত হওয়া উচিত। মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তি স্মরণ করে তিনি বলেন, "ভয় থেকেই সহিংসতা ও ঘৃণার জন্ম হয়।" নিজেদের ৩০ বছর বয়সী তরুণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা একটি উন্নত ও জবাবদিহিমূলক ভারতের জন্য লড়াই করছেন এবং তাদের হারানোর কিছু নেই। এমনকি তাদের গ্রেপ্তার, মারধর বা হত্যা করলেও এই লড়াই থামবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে, সোমবার পুনেতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে পুনরায় নির্বাচন বর্জনের ডাক দেন। তিনি দাবি করেন, জ্ঞানেশ কুমার ক্ষমতায় থাকা এবং তার তৈরি ভোটার তালিকায় নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত ভোট দেওয়া অর্থহীন, কারণ নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। দীপকে যুক্তি দেন যে, মোদি-হাওয়া যখন তুঙ্গে ছিল, তখনও যেসব রাজ্যে বিজেপি জিততে পারেনি, এখন তারা সেসব রাজ্যে অনায়াসে জয়লাভ করছে। জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষপাতিত্বের কারণেই এটি সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ ও এসআইআর ফ্রিজ করা হলে বোঝা যাবে কোন দল কয়টি আসনে জিততে পারে।
অন্যদিকে, দিল্লিতে 'অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন' (আইসা)-এর বিক্ষোভ গত দুই দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। গত ২রা অক্টোবর শুরু হওয়া এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে এবং এই ঘটনায় তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।



























