ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর রূপসায় ছেলের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা বিমানের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য সরকারি চাকরিজীবীদের অক্টোবরের বেতনের সঙ্গেই মিলবে ৩ মাসের বকেয়া নৌপথে যুক্তরাজ্যে আসা প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার: শাবানা মাহমুদ রাড্ডায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত: গর্ভবতী মায়েদের পাশে ডা. তাইফ

অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে আটকে থাকা ঝিনাইদহের মিশন আচার্যের নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটেছে। অবশেষে তিনি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হলো।

নিয়োগ পাওয়ার পর মিশন আচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ওপর আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এছাড়া গণমাধ্যমের ভাইয়েরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিক্ষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হলো, তা আমি মনে রাখব। দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে আমি আমার মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।’

উল্লেখ্য, নিয়োগ পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তাঁর নিয়োগপত্র আটকে দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। প্রথম আলোতে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আনেন।

এই বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আজ মিশন আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র পৌঁছানোয় আমরা আনন্দিত। এই ঘটনা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব। আমি আশা করি, শিক্ষক মিশন আচার্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে হাজারো শিশু-কিশোরের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবেন।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে আটকে থাকা ঝিনাইদহের মিশন আচার্যের নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটেছে। অবশেষে তিনি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিশন আচার্যের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হলো।

নিয়োগ পাওয়ার পর মিশন আচার্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ওপর আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এছাড়া গণমাধ্যমের ভাইয়েরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিক্ষক হিসেবে আমার কর্মজীবন শুরু হলো, তা আমি মনে রাখব। দেশ ও জাতি গড়ার মহান দায়িত্ব পালনে আমি আমার মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।’

উল্লেখ্য, নিয়োগ পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তাঁর নিয়োগপত্র আটকে দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। প্রথম আলোতে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আনেন।

এই বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছেন। আজ মিশন আচার্যের হাতে নিয়োগপত্র পৌঁছানোয় আমরা আনন্দিত। এই ঘটনা প্রমাণ করে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে গণমাধ্যমের সোচ্চার ভূমিকা এবং সরকারের ইতিবাচক মনোভাব থাকলে যেকোনো প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন সম্ভব। আমি আশা করি, শিক্ষক মিশন আচার্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে হাজারো শিশু-কিশোরের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবেন।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo