ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ মেধাবী শিক্ষার্থী রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ শ্রমিক যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকালো পুলিশ ৭ অক্টোবরের পর বদলে যাওয়া গাজা: সিনওয়ারের সিদ্ধান্ত ও জনমত কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা নেশন্স লিগে জয়রথ অব্যাহত স্পেন ও ইংল্যান্ডের মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়, আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না স্কালোনি বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের দিকে নজর ভারতের: রণধীর জয়সোয়াল তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়, অবসরের পর কেমন কাটবে মেসির সময়?

কারাগারের নিরাপত্তায় এআই সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা যুক্ত হচ্ছে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কারাগারের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, মানবিক, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করে তুলতে ব্যাপক প্রযুক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কারা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার রাজধানীর বকশীবাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কারা ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন আনার কাজ শুরু হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার করতে কারাগারগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত সিসিটিভি ব্যবস্থা, বডি ক্যামেরা, বডি স্ক্যানার, লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর, গ্রাউন্ড সুইপিং মেশিন এবং মোবাইল জ্যামিং সিস্টেমের মতো আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কারা সদস্যদের বডি ক্যামেরার আওতায় আনার বিষয়টিও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া দেশজুড়ে কারাগারগুলোকে অধিদপ্তরের নিজস্ব ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিসহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম ও টিম ট্র্যাকার চালু করা হয়েছে।

বন্দি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে। তথ্য-উপাত্তভিত্তিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত বন্দি ডেটাবেজ সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বন্দিদের টেলিফোন কল এবং সাক্ষাৎ ব্যবস্থাও ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে বন্দিরা ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

মাদক প্রতিরোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কারা সদর দপ্তরে মাদক পরীক্ষার মেশিন সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারী বা বন্দি—কারও প্রতি কোনো ছাড় নেই বলে জানানো হয়। আধুনিক কারা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কাস্টডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ’ করার নীতিগত কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

কারাগারের নিরাপত্তায় এআই সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরা যুক্ত হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৭:২২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

কারাগারের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, মানবিক, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করে তুলতে ব্যাপক প্রযুক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কারা অধিদপ্তর। মঙ্গলবার রাজধানীর বকশীবাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কারা ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন আনার কাজ শুরু হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার করতে কারাগারগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত সিসিটিভি ব্যবস্থা, বডি ক্যামেরা, বডি স্ক্যানার, লাগেজ স্ক্যানার, মোবাইল ডিটেক্টর, গ্রাউন্ড সুইপিং মেশিন এবং মোবাইল জ্যামিং সিস্টেমের মতো আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কারা সদস্যদের বডি ক্যামেরার আওতায় আনার বিষয়টিও এই উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া দেশজুড়ে কারাগারগুলোকে অধিদপ্তরের নিজস্ব ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিসহ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম ও টিম ট্র্যাকার চালু করা হয়েছে।

বন্দি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে। তথ্য-উপাত্তভিত্তিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত বন্দি ডেটাবেজ সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বন্দিদের টেলিফোন কল এবং সাক্ষাৎ ব্যবস্থাও ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে বন্দিরা ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

মাদক প্রতিরোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। কারা সদর দপ্তরে মাদক পরীক্ষার মেশিন সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারী বা বন্দি—কারও প্রতি কোনো ছাড় নেই বলে জানানো হয়। আধুনিক কারা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কাস্টডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ’ করার নীতিগত কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din