ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইউজড কার পার্টস’ ঘোষণার আড়ালে চট্টগ্রাম বন্দরে বিএমডব্লিউ গাড়ি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চট্টগ্রাম বন্দরে ‘ইউজড কার পার্টস’ বা ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণার আড়ালে খণ্ডিত অবস্থায় বিলাসবহুল গাড়ি ও ট্রাক আনার ঘটনা শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। মঙ্গলবার একটি সন্দেহভাজন চালানে কায়িক পরীক্ষা চালিয়ে এই জালিয়াতি ধরা পড়ে, যেখানে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে প্রকৃত পণ্যের ব্যাপক অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধারকৃত চালানের মধ্যে রয়েছে একটি দুই আসনের বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, যা সম্পূর্ণ নকডাউন অবস্থায় ছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গাড়িটি ২০০৯ সালের মডেলের ‘এস ড্রাইভ ২৩আই’ এবং এর ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৫০০ সিসি। তবে গাড়িটির চেসিস নম্বর, ভিআইএন এবং সঠিক মডেল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কারিগরি যাচাইয়ের কাজ চলছে।

একই চালানে পাওয়া গেছে ২০১৬ সালের মডেলের বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ ৭৪০আই গাড়ির সামনের অংশ, যার ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার সিসি। এই গাড়ির বাকি অংশ অন্য কোনো চালানে আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত করছে কাস্টমস গোয়েন্দা। এ ছাড়া ঘোষণা বহির্ভূতভাবে পাঁচটি খণ্ডিত ইসুজু ট্রাক পাওয়া গেছে, যেগুলোর কেবিনের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের গাড়ির যন্ত্রাংশ কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া এবং আমদানি নীতি লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ির বিভিন্ন অংশ আলাদা চালানে এনে পরে পুনঃসংযোজনের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ইউজড কার পার্টস’ ঘোষণার আড়ালে চট্টগ্রাম বন্দরে বিএমডব্লিউ গাড়ি

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘ইউজড কার পার্টস’ বা ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণার আড়ালে খণ্ডিত অবস্থায় বিলাসবহুল গাড়ি ও ট্রাক আনার ঘটনা শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। মঙ্গলবার একটি সন্দেহভাজন চালানে কায়িক পরীক্ষা চালিয়ে এই জালিয়াতি ধরা পড়ে, যেখানে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে প্রকৃত পণ্যের ব্যাপক অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধারকৃত চালানের মধ্যে রয়েছে একটি দুই আসনের বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, যা সম্পূর্ণ নকডাউন অবস্থায় ছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গাড়িটি ২০০৯ সালের মডেলের ‘এস ড্রাইভ ২৩আই’ এবং এর ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৫০০ সিসি। তবে গাড়িটির চেসিস নম্বর, ভিআইএন এবং সঠিক মডেল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কারিগরি যাচাইয়ের কাজ চলছে।

একই চালানে পাওয়া গেছে ২০১৬ সালের মডেলের বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ ৭৪০আই গাড়ির সামনের অংশ, যার ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার সিসি। এই গাড়ির বাকি অংশ অন্য কোনো চালানে আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত করছে কাস্টমস গোয়েন্দা। এ ছাড়া ঘোষণা বহির্ভূতভাবে পাঁচটি খণ্ডিত ইসুজু ট্রাক পাওয়া গেছে, যেগুলোর কেবিনের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের গাড়ির যন্ত্রাংশ কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া এবং আমদানি নীতি লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ির বিভিন্ন অংশ আলাদা চালানে এনে পরে পুনঃসংযোজনের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin