ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাভারে চারতলা ভবনে সিটিটিসির অভিযান, জেএমবি সন্দেহে আটক ১ ১২ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও অকৃতকার্য মাদ্রাসার একমাত্র শিক্ষার্থী সফল অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন চক্রবর্তী টেলর সুইফটের বিয়ের পোশাক নিয়ে বিশ্বজুড়ে ফ্যাশন দুনিয়ায় জল্পনা জ্বালানি সংকট কাটাতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বরিশাল বিভাগ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী দিল্লিতে মোদির কাছে ঢাকার ‘সহায়ক পরিবেশের’ বার্তা দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী ২০ বছর পরও কেন প্রাসঙ্গিক ‘কভি আলবিদা না কেহনা’? নিউমার্কেটে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

গলায় রামদা ধরে এমপির সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার সৎ ভাইদের বিরুদ্ধে গলার রামদা ধরে বাড়িসহ সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার (১০ আগস্ট) এমপির স্ত্রী পারভিন আক্তার বাদী হয়ে আদালতে তিন সৎ ভাইসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় এমপির সৎ ছোট ভাই দিরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন চৌধুরী (মাসুক চৌধুরী), মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলেন—দিরাই উপজেলার মাতারগাঁও গ্রামের মৃত নাজমুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম, পুরাতন কর্ণগাঁও গ্রামের আব্দুন নুর মিয়ার ছেলে ছয়ফুল চৌধুরী, তল বাউসী গ্রামের দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, কলিয়ার কাপনের নাজমুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম এবং দিরাইয়ের নুরুল ইসলামের মেয়ে মোহরার মমতাজ বেগম।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নাছির চৌধুরীর বাড়িসহ সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য আসামিরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রেখেছিল। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুই কর্মচারীকে ভুয়া অফিসার সাজিয়ে অসুস্থ ও অক্ষম নাছির চৌধুরীর কাছে দলিল নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা তার গলায় রামদা ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ সময় তার অপর স্ত্রী শেলী চৌধুরী বাধা দিতে এলে তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়, যার ফলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে মেঝেতে ঢলে পড়েন।

মামলায় আরও দাবি করা হয়, ওই সময় টঙ্গর এলাকার সমর্থক ওয়াকিব হাসান এমপির খোঁজ নিতে এলে আসামিরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এছাড়া ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পারভিন আক্তার এমপির বাড়িতে গেলে তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিরাই আদালতের বিচারক মো. জসিম মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পেশকার মুহিত লাল চন্দ মিঠু। বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন আইনজীবী কাওছার আলম।

অভিযোগের বিষয়ে এমপি নাছির চৌধুরীর ছোট ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী (মাসুক চৌধুরী) বলেন, দলিল রেজিস্ট্রি করেন সাব-রেজিস্ট্রার। তিনি মামলার বিষয়ে অবগত নন জানিয়ে বলেন, তাদের পারিবারিক কিছু ঝামেলা রয়েছে এবং মামলার বিষয়টি জানার পর তিনি আইনিভাবেই এর জবাব দেবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

গলায় রামদা ধরে এমপির সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগে মামলা

আপডেট সময় : ০২:২২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
print news

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার সৎ ভাইদের বিরুদ্ধে গলার রামদা ধরে বাড়িসহ সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার (১০ আগস্ট) এমপির স্ত্রী পারভিন আক্তার বাদী হয়ে আদালতে তিন সৎ ভাইসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় এমপির সৎ ছোট ভাই দিরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন চৌধুরী (মাসুক চৌধুরী), মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলেন—দিরাই উপজেলার মাতারগাঁও গ্রামের মৃত নাজমুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম, পুরাতন কর্ণগাঁও গ্রামের আব্দুন নুর মিয়ার ছেলে ছয়ফুল চৌধুরী, তল বাউসী গ্রামের দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, কলিয়ার কাপনের নাজমুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম এবং দিরাইয়ের নুরুল ইসলামের মেয়ে মোহরার মমতাজ বেগম।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নাছির চৌধুরীর বাড়িসহ সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য আসামিরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রেখেছিল। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুই কর্মচারীকে ভুয়া অফিসার সাজিয়ে অসুস্থ ও অক্ষম নাছির চৌধুরীর কাছে দলিল নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা তার গলায় রামদা ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ সময় তার অপর স্ত্রী শেলী চৌধুরী বাধা দিতে এলে তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়, যার ফলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে মেঝেতে ঢলে পড়েন।

মামলায় আরও দাবি করা হয়, ওই সময় টঙ্গর এলাকার সমর্থক ওয়াকিব হাসান এমপির খোঁজ নিতে এলে আসামিরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এছাড়া ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পারভিন আক্তার এমপির বাড়িতে গেলে তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিরাই আদালতের বিচারক মো. জসিম মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পেশকার মুহিত লাল চন্দ মিঠু। বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন আইনজীবী কাওছার আলম।

অভিযোগের বিষয়ে এমপি নাছির চৌধুরীর ছোট ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী (মাসুক চৌধুরী) বলেন, দলিল রেজিস্ট্রি করেন সাব-রেজিস্ট্রার। তিনি মামলার বিষয়ে অবগত নন জানিয়ে বলেন, তাদের পারিবারিক কিছু ঝামেলা রয়েছে এবং মামলার বিষয়টি জানার পর তিনি আইনিভাবেই এর জবাব দেবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor