জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বরিশাল বিভাগ
- আপডেট সময় : ০৪:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

জুলাই মাসে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে বরিশাল বিভাগ। বিভাগটি তাদের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ নিবন্ধন সম্পন্ন করে এই সাফল্য অর্জন করেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ যৌথভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে বরিশাল বিভাগে জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হাজার ৮৯৬টি, যার বিপরীতে ৯ হাজার ৮৮৩টি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। একই সময়ে মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৬৪টি, যার বিপরীতে ৪ হাজার ৪৮৮টি নিবন্ধন হয়েছে। সামগ্রিক অর্জনের হার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এই তালিকায় ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ অর্জন করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রংপুর বিভাগ।
জেলা পর্যায়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পটুয়াখালী জেলা দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। জেলাটিতে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জনের হার ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। জন্ম নিবন্ধনে ২ হাজার ৬৯২টির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২ হাজার ১৯৯টি এবং মৃত্যু নিবন্ধনে ৭৩০টির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ হাজার ৬৭টি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা খুলনা জেলার অর্জনের হার ১০৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
উপজেলা পর্যায়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সবার উপরে রয়েছে। সেখানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন মিলিয়ে গড় অর্জনের হার ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ। জুলাই মাসে গলাচিপায় জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি, যার বিপরীতে ৬৩৭টি এবং মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ১১৬টির বিপরীতে ৩১৮টি নিবন্ধন হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলা, যাদের অর্জনের হার ১৩০ শতাংশ।
সাফল্যের বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক জানান, এই অর্জনে তারা আনন্দিত এবং জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ও সহযোগিতার ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী একে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়া বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকারের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আহসান হাবিব জানান, জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সহযোগিতায় এই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।





























