তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত পেইড প্রোপাগান্ডা

- আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পার হয়েছে। এই অল্প সময়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। তবে সরকারের এই ইতিবাচক অগ্রযাত্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সুবিধা লাভে ব্যর্থ হওয়া কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি এবং অসাধু চক্র প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত সহকর্মীদের টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'পেইড' অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। এই অপপ্রচারের মূল লক্ষ্যবস্তু হিসেবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মনগড়া ও ভিত্তিহীন ইস্যু তৈরির অপচেষ্টা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গত ১৭ বছর ধরে প্রশাসনিক কাঠামোতে নিয়োগ পাওয়া বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের অনুগত একটি অংশ এখনো বহাল রয়েছে। তারা বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরানোর জন্য প্রচ্ছন্ন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বা পুনর্বিন্যাসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আড়ালে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের ক্ষেত্রে অপপ্রচারের নেপথ্যে আমলাতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইর্ষা কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর কিছু আমলার দুর্নীতি ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি চক্র ক্ষুব্ধ হয়। এমনকি তিনি তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো স্থাপনা না করার লিখিত নির্দেশনা দিলেও, তার পরিবারের সদস্যের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠিয়ে তাকে ট্রোল করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত কিছু ব্লগারও অর্থের বিনিময়ে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, যার পেছনে সরকারের এক মন্ত্রীর এপিএসের নাম উঠে আসছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
এই পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র। গুজব ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। এছাড়া ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, ইসলামে তথ্য যাচাই ছাড়া গুজব ছড়ানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করে তিনি সবাইকে বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা থেকে মুক্ত থাকার আহ্বান জানান।



























